পায়ের পাতায় ঝি ঝি ধরা – কারণ ও প্রতিকার

HelloBanglaWorld - Know Everything in Banglaস্বাস্থ্যপায়ের পাতায় ঝি ঝি ধরা – কারণ ও প্রতিকার
Advertisements

অনেকক্ষণ ধরে কোথায় বসে আছেন, উঠবার সময় খেয়াল করলেন পা অবস হয়ে গেছে। এই অবস্থাকে আমরা প্রচলিত ভাষা “ঝি ঝি ধরা” (twinging sensation, বা, to have pins and needles) বলে থাকি। পা ঝি ঝি ধরে না এমন মানুষ খুবই কম আছে।

পায়ে ঝি ঝি ধরার কারণ কি?

পায়ে ঝি ঝি ধরতে পারে এমন অনেক কারণ থাকে। অনেক সময় একইভাবে বসে থাকলে পায়ে ঝি ঝি বোধ হতে পারে। আমাদের নিতম্ব, উরু এবং পায়ের পেশিগুলোতে সংবেদন প্রেরণ করে সায়াটিক স্নায়ু, যা এসব অঙ্গের কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে।

দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে অনেক সময় সায়াটিক স্নায়ুর উপর চাপ পড়ে। তখন পায়ে সংবেদন পাওয়া যায় না।

আবার অনেক সময় বসে বিশেষ ভঙ্গিতে বসে থাকলে পায়ের গোড়ালি অঞ্চলে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। এর ফলে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত ধমনী পথে বের হতে পারে না। ফলে ধীরে ধীরে পায়ে অক্সিজেনের অভাব অনুভূতি জাগায়।

ডায়াবেটিস, লাম্বার স্পন্ডালাইসিস এবং পুষ্টিহীনতার কারণে মারাত্মক দুর্বলতাও এ ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। চলুন জেনে নেই পায়ে পায়ে ঝি ঝি ধরলে কি করবেন।

মাথা এপাশ থেকে ওপাশে দুলান:

বেকায়দায় বসা বা শোয়ার জন্য অনেক সময় আমাদের হাতে-পায়ে ঝি ঝি ধরে যায়। সাধারণত ঘাড়ের নার্ভে চাপ পড়ার জন্য হাতে ঝি ঝি ধরে। হাতে ঝি ঝি ধরলে আপনার মাথা এপাশ থেকে ওপাশে দুলান। এত ঝি ঝি ধরলে আস্তে আস্তে কমে যাবে।

এক মিনিটে:

হাতে বা পায়ে ঝি ঝি ধরলে এপাশ থেকে ওপাশে দুলান এক মিনিট সময় নিয়ে। দেখবেন এক মিনিটেরও কম সময়ে ঝি ঝি কমে যাবে।

দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ হাঁটুন:

ঘাড় এদিক হতে ওদিক করার মাধমে ঘাড়ের মাসল শিথিল হয়। পায়ে ঝি ঝি ধরে শরীরের নিচের অংশের মাসল সংকোচনের জন্য। এক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে কিছুক্ষণ হাঁটা শুরু করুন, ঝি ঝি চলে যাবে।

[adinserter block=”1″]

গরমে ঘামাচি, কি যে করি!
ঘামাচির সমস্যা হলে করণীয়ঘামাচির সমস্যা হলে করণীয়

ঝি ঝি ধরা অনুভূতির স্থায়িত্ব বেশি হলে চিকিৎসকের স্মরণাপন্ন হন

পায়ে এই ঝিঁ ঝিঁ ধরা বা অবশ ভাব যদি কোনো আপাত কারণ ছাড়াই ঘটে এবং প্রায়শ:ই হয়, অথবা এর স্থায়িত্ব বেশি থাকে, তবে তা একটু চিন্তারই বিষয়। কারণ চিকিৎসকের মতে, মেরুদণ্ডের কোনো সমস্যা বা অন্য কোনে কারণ থেকেও তা হতে পারে।

সাধারণত: দেহে ওয়াটার স্যলুবল বি ভিটামিন, ম্যাগনেসিয়াম, ক্যালসিয়াম ও পটাশিয়ামের অভাব হলে এই লক্ষণটি দেখা দেয়। এরূপ পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়ার সঠিক পদক্ষেপ হবে।

ভিটামিনের অভাব পূরণে সবুজ শাক, কাঠবাদাম, তাল, কমলা, কলা, চীনাবাদাম, ডাবের পানি, কিশমিশ, কাজু বাদাম ইত্যাদি রাখুন খাদ্যতালিকায়।

আরও স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস:

ক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য