স্মার্টফোনের চার্জ ধরে রাখার কিছু নিয়ম

HelloBanglaWorld - Know Everything in Banglaটিপস ও ট্রিক্সস্মার্টফোনের চার্জ ধরে রাখার কিছু নিয়ম

 

কালের বিবর্তনে এখন মানুষের হাতে হাতে এখন স্মার্টফোন ফোন। এই ফোনে কথা বলাটা যেন গৌন ব্যাপার। বর্তমানের স্মার্টফোন একেকটি জটিল কম্পিউটার। বেড়েছে এর কাজ, বড় হয়েছে এর আকার। ফলে ফোনের জন্য সরবরাহকৃত ব্যাটারীটা যেন আর প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করতে পারছে।

জরুরি কাজের মুহূর্তে এসে প্রয়োজনীয় এই যন্ত্রটির ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেলে কাজের যন্ত্রটি এক মুহূর্তেই অকেজো হয়ে যায় একদম। স্মার্ট মোবাইলের ব্যাটারির চার্জ খুব দ্রুত শেষ হয়ে যায় এবং অনেকসময় একদিনের বেশি একেবারেই থাকে না।

এ জন্য কিছু নিয়ম মেনে চললে আশা করা যায় অতি জরুরী এই বস্তুটির চার্জ অনেকক্ষণ স্বাভাবিক এর তুলনায় অনেকক্ষণ ধরে রাখা যাবে। কিছু ট্রিকস অনুসরণ করে ব্যাটারীর চার্জকে অধিকক্ষণ ধরে রাখা সম্ভব।

 

ব্যাকগ্রাউন্ড কোন অ্যাপস চালু না রাখা

ফেসবুক থেকে শুরু করে গুগল ম্যাপস কিংবা জি-মেইল সব প্রয়োজনীয় অ্যাপস ব্যবহারের মাধ্যমেই দিনের শুরুটা হয়। ব্যবহারের পরই সব অ্যাপস বন্ধ করে দিতে হবে। পুরোপুরিভাবে অ্যাপসগুলো বন্ধ না করলে ব্যাকগ্রাউন্ডে সেসব অ্যাপস চালু থাকে বিধায় ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যায়।

 

ব্যাকগ্রাউন্ড ব্রাইটনেস কমিয়ে রাখা

মোবাইলের ব্রাইটনেস সর্বোচ্চ দেয়া থাকলে ব্যাটারির চার্জ অনেক বেশি দ্রুত শেষ হয়ে যায়। যে কারণে মোবাইল ফোনের ব্রাইটনেস বেশি দেয়া উচিত নয়।

 

ভাইব্রেশন মোড বন্ধ রাখা

মোবাইল ফোন ভাইব্রেশন মোডে রাখা মোবাইল ফোনের ব্যাটারি দ্রুত শেষ হয়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। দরকার ছাড়া ভাইব্রেশন মোডে না রাখাই কল্যাণকর।

 

অটো-রোটেশন অপশন চালু না রাখা

অ্যাক্সেলেরোমিটার নামের একটি বিশেষ ধরনের সেন্সর অটো-রোটেশন এর জন্য ব্যবহৃত হয়। প্রয়োজন ছাড়া বাকি সময়ে এই অপশন বন্ধ করে রাখা প্রয়োজন। কারণ এর জন্য প্রচুর চার্জ ক্ষয় হয়।

 

পুশ নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা

ই-মেইল, ফেসবুক, গুগল প্লাস, টুইটারসহ আরও বিভিন্ন ধরনের অ্যাপলিকেশনে ‘পুশ নোটিফিকেশন’ নামের একটি সুবিধা থাকে। যেটি চালু থাকলে মোবাইল ফোনটি একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর সার্ভার থেকে নতুন তথ্য সংগ্রহ করে। ফলে প্রয়োজন না থাকলেও নির্দিষ্ট সময় পর পর ফোনটি নিজের মতো করে কাজ করবে, আর চার্জ খরচ হবে।

 

মোবাইল ডাটার পরিবর্তে ওয়াই-ফাই ব্যবহার করুন

স্মার্টফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য যখনই সম্ভব মোবাইল নেটওয়ার্কভিত্তিক ইন্টারনেট যেমন জিপিআরএস/এজ, থ্রিজির তুলনায় তারহীন ওয়াই-ফাই ভালো। পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সময় অন্যান্য প্রযুক্তির ইন্টারনেট ব্যবহারের চেয়ে কম ব্যাটারি খরচ হয়। বাসা, অফিস বা অন্য কোথাও ইন্টারনেট ব্যবহারর সময় সেখানে যদি ওয়াই-ফাই থাকে, তবে সেখানে যুক্ত হতে পারেন।

 

অপারেটিং সিস্টেম হালনাগাদ

মোবাইল ফোন সফটওয়্যারটির (ফার্মওয়্যার নামেও পরিচিত) সাম্প্রতিকতম সংস্করণটি ব্যবহার করা ভালো। Android- Jelly Bean/Ice Cream Sandwich ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম নির্মাতার সব সময়ই ফোনের বিভিন্ন ত্রুটি সংশোধনের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। নতুন সংস্করণগুলোতে সেই বৈশিষ্টগুলো সংযোজন করা হয়ে থাকে। সাধরণত এই হালনাগাদগুলো বিনা মূল্যে নামানোর সুযোগ পাওয়া যায়।

এমনকি ফোনে ব্যবহূত সব অ্যাপের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। সাম্প্রতিকতম সংস্করণগুলোতে অনেক নতুন বৈশিষ্ট্য যোগ করা হয়ে থাকে এবং আগের ত্রুটিগুলো সংশোধন করা হয়ে থাকে, যেগুলো অ্যাপটি সঠিকভাবে ব্যবহারে সহযোগিতা করে থাকে।

 

অটো টাইম আউট অপশন ব্যবহার করা

অটো টাইম আউট এর অপশন টা ১৫ সেকেন্ড বা ৩০ সেকেন্ড নির্ধারণ করে দিলে নির্ধারিত সময় পরে অটো স্ক্রিন বন্ধ হয়ে যাবে। এতে করে ব্যাটারি কম খরচ হয়।

আশা করা যায়,এই কয়েকটি ট্রিকস মেনে চললে শখের এন্ড্রয়েড ফোনটির চার্জ স্বাভাবিক এর তুলনায় দীর্ঘক্ষণ ধরে রাখা সম্ভব।

ক্যাটাগরিঃ টিপস ও ট্রিক্স