১৫টি Indoor Plant যা আপনার ঘরকে করবে আরো প্রাণবন্ত

HelloBanglaWorld - Know Everything in Banglaগার্ডেনিং১৫টি Indoor Plant যা আপনার ঘরকে করবে আরো প্রাণবন্ত

ইন্টেরিয়র ডিজাইনিং (Interior Design) গুরুত্বারোপকারী যে কোনো মানুষই ইনডোর প্ল্যান্টের (Indoor Plant) প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করতে পারেন। প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্যের অন্যতম উপাদান গাছ। গাছেদের নয়নাভিরাম বৈচিত্র্য আমাদের মুগ্ধ করে। প্রকৃতির সান্নিধ্যে কেউ খুঁজে পায় স্বস্তি আবার কেউ বা খুঁজে পায় অনুপ্রেরণা। আধুনিক কনক্রিট জঙ্গলের রুচিবোধ সম্পন্ন যে কোনো মানুষই, নিজের দৃষ্টিসম্মুখে রাখতে চায় ক্ষাণিকটা সবুজের ছোঁয়া।

তবে, বাসা-বাড়ির ছোট্ট পরিসরে সবধরণের গাছ বেড়ে উঠতে পারে না। তাই একনজরে দেখে নিন ঘরোয়া পরিবেশের জন্য উপযোগী, দৃষ্টিনন্দন এবং পরিবেশবান্ধব কিছু গাছ নিয়ে আমাদের এই তালিকাটি। এ থেকে আপনিও পেয়ে যেতে পারেন আপনার বাসার জন্য পছন্দসই গাছগুলোকে!

১. ফিলোডেনড্রন এবং পোথস (Philodendron & Pothos)

Philodendron & Pothos
Philodendron & Pothos

ডেভিল্স আইভি বলেও ডাকা হয় গাছটিকে। তবে, আমাদের দেশে মানিপ্ল্যান্ট নামেই এটি অধিক পরিচিত। গাছটির আদি নিবাস আমেরিকার উপকূলবর্তী অঞ্চলসমূহে। এই গাছটির প্রায় ৫০০টি প্রজাতি রয়েছে।

প্রাকৃতিক পরিবেশে জঙ্গলা জমি, নদীর তীরে এবং যে সকল স্থানে কম সূর্যালোক পৌঁছায়; সেখানে অনায়াসে বেড়ে ওঠে এরা। ঘরোয়া পরিবেশে ১৫-১৮ সেলসিয়াসে সবচেয়ে সাচ্ছন্দ্যে বেড়ে ওঠে এই গাছটি। গাছটির সামান্য অংশ ছিঁড়ে মাটিতে লাগিয়ে দিলেই হল।

ছোট্ট আইসক্রিমের কাপ থেকে শুরু করে কাঁচের গ্লাস; যে কোনো কিছুর মধ্যই এই গাছ লাগানো যায়। ছায়ায় থাকা ফিলোডেনড্রনের রঙ সবুজ থাকে। রোদে রাখলে পাতার রঙ হলুদ হতে থাকে। পাত্রের আকার অনুযায়ী পানি দিতে হয়। মাটি সর্বদা ভেজা রাখার কাজটা যদি কষ্টসাধ্য লাগে তবে পানির ভেতরেই গাছটি রাখতে পারেন। যথেষ্ট যত্ন নিলে ঘরের ভেতরেই ২০মিটার অব্দি লম্বা হতে পারে গাছটি।

বায়ু পরিশোধক এই গাছের পাতা সামান্য মাত্রায় বিষাক্ত হওয়ায় গাছটিকে পোষা প্রাণী বা ছোট শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন

২. স্নেক প্ল্যান্ট (Snake Plant)

Snake Plant (Photo by Julie Johnson on Unsplash)
Snake Plant (Photo by Julie Johnson on Unsplash)

গাছটির আদি নিবাস দক্ষিণ আফ্রিকার উপকূলবর্তী অঞ্চলে। লম্বা ও শক্তপোক্ত ফ্যাকাশে সবুজ পাতায় গাঢ় বা কালচে সবুজের প্যাটার্ন দেখলে নামকরণের সার্থকতা টের পাওয়া যায়। স্নেক প্ল্যান্ট বিষধর সাপের মত ক্ষতিকারক তো একেবারেই নয় বরঞ্চ, গাছটি খুবই উপকারী একটি ডিটক্সিফাইয়ার। বাতাসে ভেসে বেড়ানো ৫টি প্রধান বিষাক্ত উপাদানের ভেতর ৪টিকে এরা শোধন করতে পারে।

আরও পড়ুন:  অনিয়মিত মাসিক কি, কারণ ও করণীয়

অনলাইন মার্কেটপ্লেসে চড়া দামে বিক্রি হওয়া এই গাছটিকে আমাদের দেশে নিতান্ত অবহেলায় পথে-ঘাটেই বেড়ে উঠতে দেখা যায়। পানি দেয়ার প্রয়োজন তখনই পড়ে, যখন মাটি শুকিয়ে যায়। তাই, খুব একটা বাড়তি যত্নেরও প্রয়োজন পড়ে না।

লিভিং রুমের কোণায়, ডাইনিং স্পেসের কাছে একটা বা দুইটা গাছ রাখা যেতে পারে। অফিস স্পেসে বা রুমের মাঝে পার্টিশন দেবার জন্য সারি বেঁধেও অনেকগুলো স্নেকপ্ল্যান্ট লাগানো যেতে পারে। শীত কালে মাসে একবার পানি দিলেও গাছটি দিব্যি বেঁচে থাকবে।

গাছটির পাতা চেখে দেখার মত কৌতুহলী শিশু বা পোষাপ্রাণীদের থেকে একটু দূরে রাখার চেষ্টা করুন। এর পাতা কিঞ্চিৎ বিষাক্ত বলে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে।

৩. এ্যালোকেশিয়া (Alocasia)

Alocasia (Photo by Mor Shani on Unsplash)
Alocasia (Photo by Mor Shani on Unsplash)

ভীষণ যত্নপ্রিয় এই গাছটিকে বাংলায় এলোকেশী বলে ডাকলে কি বিশেষ ক্ষতি হবে? প্রতি কান্ডে মাত্র একটি করেই পাতা হয়। গাছের পাতায় সামুদ্রিক স্টিং রে এর মত বা সাদা ধমনীর মত অসংখ্য জালের মত বিস্তৃত প্যাটার্ন থাকে। গাছের গোড়ার পর্যাপ্ত পানি দেয়া ছাড়াও পাতায় পানি স্প্রে করতে হয়।

যত্নবান গাছপ্রেমী হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে চাইলে প্রকৃতির এই এলোকেশীকে ঘরে আনতে দ্বিধা করবেন না যেন!

৪. এ্যালো ভেরা (Aloe Vera)

Aloe Vera (Photo by Kaitlyn Rigg on Unsplash)

গাছটির ভেষজ গুণাগুণ সমন্ধে সবাই কমবেশি অবগত রয়েছেন। ত্বকের যত্নে এ্যালোভেরার পাতা ভীষণ উপকারী। ক্ষেত্রবিশেষে, এটি এ্যান্টিসেপ্টিক হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। এমনকি চুলের জন্যও এর উপকারিতা বিশেষভাবে উল্লেখ্য। একেবারে ছোট গাছকে একশো মি.লির আইসক্রিম কাপেও সুন্দরভাবে রেখে দেয়া যায়। তবে, পূর্ণাঙ্গ গাছ থেকে পাতা সংগ্রহ করে ব্যবহার করতে চাইলে, একটু লম্বাটে টবে গাছটি লাগাতে হবে। মাটি শুকিয়ে যাবার মত মনে হবার আগ পর্যন্ত পানি দেবার প্রয়োজন নেই।

৫. মথ অর্কিড (Moth Orchid)

Moth Orchid (Photo by Paweł Czerwiński on Unsplash)
Moth Orchid (Photo by Paweł Czerwiński on Unsplash)

ঘরোয়া গাছের তালিকায় ফুল গাছ থাকবে না তা কী করে হয়!? অর্কিডের প্রতি ফুলপ্রেমীদের বিশেষ দূর্বলতা কাজ করে। অর্কিডের নানা বর্ণ-বৈচিত্র্যের মাঝে মথ অর্কিডেরই আবার ৬০টি প্রজাতি রয়েছে। এর ফুলগুলো কয়েকমাস ধরে ফুটে থাকতে পারে।

ঝুলন্ত টবে এই গাছ সবচেয়ে সুন্দর দেখায়। কম আলো, অধিক আর্দ্র স্থানে গাছটি সাচ্ছন্দ্যবোধ করে। সহজে রক্ষনাবেক্ষণ করা যায় বলে এই গাছটি আপনার পছন্দের তালিকায় রাখতে পারেন। ৪০০ টাকা থেকে শুরু করে ক্ষেত্রবিশেষে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত দাম হয়ে থাকে এই গাছটির।

আরও পড়ুন:  ক্রেজি মাইক্রো অ্যাপার্টমেন্ট - এতটুকু জায়গায় মানুষ থাকে কিভাবে?

৬. পীস লিলি (Peace Lily)

Peace Lily (Image by HOerwin56 from Pixabay)
Peace Lily (Image by HOerwin56 from Pixabay)

প্রায় ৪০টি ভিন্ন প্রজাতি পাওয়া যায় এই ফুল গাছটির। ছায়া প্রিয় গাছটিতে মাটি শুকিয়ে যাবার আগ পর্যন্ত পানি দেয়ার প্রয়োজন পড়ে না। সপ্তাহন্তে একবার পানি দিলেই চলে। এটি একটি বায়ু পরিশোধক গাছ। তবে, গাছের পাতা বিষাক্ত।

৭. স্পাইডার প্ল্যান্ট (Spider Plant)

Spider Plant (Photo by Daria Shevtsova from Pexels)
Spider Plant (Photo by Daria Shevtsova from Pexels)

গাছের পাতাগুলো মাকড়সার পায়ের মত ছড়ানো বলেই বোধহয় এমন নামকরণ করা হয়েছিলো। গাছটির আদি নিবাস আফ্রিকার উপকূলবর্তী অঞ্চলে। মাত্র দুই ডিগ্রী সেলসিয়াসের কনকনে শীতেও গাছটি বেঁচে থাকতে পারে।

দ্রুত বর্ধনশীল এই গাছটি ঝুলন্ত পাত্রে অধিক মানানসই। বাতাসে ভেসে বেড়ানো ফরমালডিহাইড থেকেও গাছটি আপনাকে রক্ষা করবে। তবে, বিড়ালকে এই গাছের কাছ থেকে দূরে রাখুন। গাছের পাতা স্বল্পমাত্রায় হ্যালুসিজেনিক!

৮. মিন্ট (Mint)

Mint Plant (Photo by Toa Heftiba on Unsplash)
Mint Plant (Photo by Toa Heftiba on Unsplash)

মিন্টের প্রায় ১৮ প্রজাতি ছাড়াও রয়েছে হাইব্রিড জাতের মিন্ট। ঠান্ডা জায়গায় সাচ্ছন্দ্যবোধকারী গাছটিকে হার্ব জাতীয় গাছের কাতারে ফেলা হয়। রান্নাবান্নায়, পোকামাকড় দমনে, এয়ার ফ্রেশনার এবং মাউথ ফ্রেশনার হিসেবে গাছটির পাতা ব্যবহৃত হয়। সামান্য কয়েকটি পাতার একটি ছোট গাছ পেলেই তা থেকে রীতিমত বাগান করা সম্ভব।

গাছটির বহুবিধ উপকারিতার কথা বিবেচনা করে হলেও আপনার পছন্দের ঘরোয়া গাছের তালিকায় স্থান দিতে পারেন।

৯. মেইডেনহেয়ার ফার্ন (Maidenhair fern)

মেইডেনহেয়ার ফার্ন (Maidenhair fern)
Maidenhair fern

গাছটির প্রায় ২৫০টি বিদ্যমান। ঝিরিঝিরি পাতার এই গাছ আর্দ্রতা প্রিয় হলেও বেশি পানিতে থাকতে পারে না। সরাসরি সূর্যালোক থেকে দূরে ও আর্দ্র কোনো স্থানে সাচ্ছন্দে বেড়ে উঠবে গাছটি।

১০. সুইস চিজ প্ল্যান্ট (Swiss cheese plant)

Swiss cheese plant (Photo by Daria Obymaha from Pexels)
Swiss cheese plant (Photo by Daria Obymaha from Pexels)

এর আদিনিবাস দক্ষিণ মেক্সিকো, সেন্ট্রাল আমেরিকা। গাছটির এমন নামকরণ হয়েছে এর ছিদ্রযুক্ত পাতার কারণে। উষ্ণ তাপমাত্রা, অধিক আর্দ্রতা গাছটির জন্য অধিক উপযোগী। গাছটিতে আনারসের মত খাবার উপযোগী ফলও ধরে।

১১. স্ট্রিংস অফ পার্লস (String of pearls)

String of pearls (Photo by Kara Eads on Unsplash)
String of pearls (Photo by Kara Eads on Unsplash)

মুক্তো যদি ক্ষাণিকটা চ্যাপ্টা হত আর মুক্তোর মালা সাদা না হয়ে সবুজ হত, তা হলে হয়ত এই গাছটির নামকরণটা মানানসই হত। এটি বেশ পানি প্রিয় গাছ। মাটিকে পর্যাপ্ত পরিমাণে ভেজা রাখা চাই। সরাসরি সূর্যের আলোয় ছোট ছোট পাতাগুলোর রং ফিকে হয়ে যায়। গ্রিল বা ঝুলন্ত টবে বেশ দৃষ্টিনন্দন লাগে গাছটিকে। দ্রুত বর্ধনশীল গাছটি চাইলেই, কেটে ভাগ করে করে আবার বড় করে তোলা যায়।

১২. প্রেয়ার প্ল্যান্ট (Prayer plant)

Prayer plant (Source: Thisisweb dot com)
Prayer plant (Source: Thisisweb dot com)

দিনের আলোয় উন্মুক্ত পাতাগুলো সন্ধ্যায় এমনভাবে পরষ্পরের কাছাকাছি আসতে থাকে যেন মনে হয় কতগুলো সবুজ পাতা করজোড়ে প্রার্থনারত হয়ে আছে। আর্দ্রতা প্রিয় গাছটি বেড়ে ওঠার জন্য চাই উর্বর, সারসমৃদ্ধ মাটি। এছাড়াও, চাই নিয়মিত যত্নের; যাতে, পানি পর্যাপ্ত সেঁচ হচ্ছে কিনা বোঝা যায়। বুঝতেই পারছেন, এদেরকে যথাযথ ভক্তি না দেখালে এরাও আপনার জন্য প্রার্থনা করা ছেড়ে দেবে!

আরও পড়ুন:  নবজাতকের ঘুমে অনিহা? জেনে নিন কি করণীয়

১৩. লাকি ব্যাম্বু (Bamboo Palm)

Bamboo Palm (Photo by Harry Cunningham on Unsplash)
Bamboo Palm (Photo by Harry Cunningham on Unsplash)

আফ্রিকার স্থানীয় এই গাছটি আসলে বাঁশ গাছ নয়। কারণ, এটি মাটির পরিবর্তে পানিতে বেড়ে ওঠে। স্থানীয়রা একে সৌভাগ্যের প্রতীক মনে করে। আপনি কেবল এর সৌন্দর্যে আকৃষ্ট হয়েও গাছটিকে আপনার ঘরে স্থান করে দিতে পারেন।

১৪. জেড (Jade plant)

Jade plant (Photo by Annie Spratt on Unsplash)
Jade plant (Photo by Annie Spratt on Unsplash)

গাছটি আমাদের দেশে বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। মৃদু উষ্ণতা প্রিয় গাছটিকে কয়েক দিনে একবার পানি দিতে বলা হলেও, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, গাছটি প্রায় সব পরিবেশেই নিজেকে মানিয়ে নিতে পারে। বাড়ির সামনে ছোট্ট টবে সরাসরি সূর্যের আলোতে যেমনি খাপ খাইয়ে নিয়েছে। তেমনি, স্টোর রুমের ক্ষীণ আলোয় একবার পানির পাত্রের মধ্যেও দিব্যি বেঁচে রয়েছে গাছটি।

১৫. সাকুলেন্ট প্ল্যান্ট (Circulant plant)

Circular plant (Etsy dot com)
Circular plant (Etsy dot com)

ঘরোয়া গাছের এই তালিকার সর্বশেষে যে প্রজাতির গাছকে স্থান দেয়া হয়েছে তা নিয়ে আপনারা সবাই কমবেশি জানেন। দেশের প্রতিটি বৃক্ষমেলা এই প্রজাতির গাছগুলোকে ছাড়া কল্পনাই করা যায় না। আকারের তুলনা এর দাম শুনলে আপাতদৃষ্টিতে অনেক বেশি মনে হতেই পারে।

কিন্তু এই প্রজাতির গাছের বিশেষ একটি গুণ রয়েছে। আপনি পানি দিতে বেমালুম ভুলে গেলেও এরা আপনাকে ধন্যবাদ দিতে ভোলে না। ক্যাকটাসের মত গাছগুলোয় মাসে একবার পানি দিলেও চলে। সঠিক কৌশল জানা থাকলে, একবার একটি ছোট্ট গাছ কিনে বছরান্তে দুই বা তিন ভাগে বিভাজিত করে গাছগুলোকে বড় করতে পারেন।


উপরোক্ত তালিকায় থাকা গাছগুলোর মধ্যে নিজের বাড়ির ভেতরে থাকা গাছের নামটি দেখে নিশ্চই আনন্দিত হয়েছেন?

আশা করছি যে, আপনি এই লেখাটি পড়ে আরো নতুন কিছু গাছকে নিজের বাড়িতে স্বাগত জানানোর জন্য ইচ্ছুক। আর যদি আপনি সেই বিশেষ পাঠক হন, যিনি নিজের বাড়ির চার দেয়ালে কোনো গাছকেই সামান্য আশ্রয় দেননি, তবে আশা করছি, এই লেখাটি আপনার মনের গহীন কোণে লুকিয়ে থাকা গাছপ্রিয় সত্ত্বার সাথে আপনার সাক্ষাৎ করিয়ে দিতে সচেষ্ট হয়েছে।

সেই ভালোবাসা থেকেই হয়ত, আপনিও একটি বা দুইটি ছোট্ট ঘরোয়া গাছকে আপনার বাড়িতে জায়গা করে দিতে অনুপ্রানিত হবেন। তবেই, এই লেখাটি সার্থকতা খুঁজে পাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.