হাত ধোয়ার নিয়ম ও সময় প্রদর্শন করবে গুগল ডুডল

HelloBanglaWorld - Know Everything in Banglaস্বাস্থ্যহাত ধোয়ার নিয়ম ও সময় প্রদর্শন করবে গুগল ডুডল

মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস প্রতিরোধের অন্যতম উপায় হচ্ছে সাবানপানিতে হাত ধোয়া। ঘর থেকে বাইরে যাবার সময়, বা বাইরে কোথাও থেকে আসার পর সাবান পানিতে হাত ধোয়া ভাইরাসের আক্রমণ বা সংক্রমণ থেকে বাঁচাতে সহায়তা করতে পারে। তবে সেটি হতে হবে সঠিক নিয়মে।

প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল (Google) তাদের নতুন ডুডলে শুক্রবার হাত ধোয়ার সময় ও নিয়ম দেখাচ্ছে।

ডুডলে ঘড়ি ধরে আছেন বিখ্যাত বিজ্ঞানী ও অ্যান্টিসেপটিক তৈরির জনক ইগনাজ সেমেলওয়েস (Dr. Ignaz Semmelweis)। অস্ট্রিয়ান এই বিজ্ঞানীই প্রথম হ্যান্ড স্যানিটাইজেশন বা হাতকে জীবাণুমুক্ত করার জন্য অ্যান্টিসেপটিক ব্যবহার শুরু করেন। তার সেই উদ্ভাবনকে ধরেই ১৮৪৭ সাল থেকে হাত জীবাণুমুক্ত করার স্ট্যান্ডার্ড প্রবর্তন করা হয়।

ডুডলে দেখা যায়, ইনফেকশন রোধের জনক ইগনাজ একটি ঘড়ি বের করেন। অন্যদিকে চলে হাত ধোয়া। যেখানে এক এক করে মোট ছয়টি পদ্ধতিতে হাত ধোবার অ্যানিমেশন দেখানো হয়। যার ঘড়ির সময়ের হিসাবে মোট এক মিনিট ধরে চলে।

Google Doogle এর ইমেজে ক্লিক করলে এটা World Health Organization (WHO) এর দেখানো নিয়মানুসারে সঠিকভাবে হাত ধোয়ার পদ্ধতিগুলো ভিডিও কন্টেন্টের মাধ্যমে দেখাবে। ৫০ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি সরাসরি YouTube সার্ভার থেকে স্ট্রিম হচ্ছে।

হাত ধোয়ার নিয়ম ও সময় দেখাচ্ছে ডুডল

আপনি জানলে অবাক হবেন যে, ১৯ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত হাতে যে জীবাণু থাকে এবং বার বার যে হাত ধোয়ার প্রয়োজন হয় জীবাণুমুক্ত করতে সেটিই কেউ মানতো না। এমনকি মেডিকেলেও সেটি মানা হতো না। ইগনাজ প্রথম দেখলেন যে, সন্তান জন্ম দেবার পর মা কোনো অজ্ঞাত রোগে মারা যাচ্ছেন।

ইগনাজ খেয়াল করলেন, যেসব ডাক্তার সেসব প্রসূতিকে দেখছেন তারা খুব ক্রিটিক্যাল রোগিদেরও একটু আগে দেখে এসেছেন। হাতে থাকা অসংখ্য ব্যাকটেরিয়া নিয়েই আবার সেই মাকে দেখছেন। ফলে তিনিও সংক্রমিত হচ্ছেন। এমন বিষয় খেয়াল করার পর ইগনাজ ১৮৪৭ সালে ভিয়েনা জেনারেল হাসপাতালে স্টাফদের হাত ধোবার ব্যবস্থা করেন। এর পর থেকে মৃত্যুহার কমতে থাকে।

যদিও এই ব্যবস্থা অন্যান্য ক্ষেত্রে ও অন্যান্য হাসপাতালে চালু করে পরে কয়েক দশক লেগেছিল।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে বিশ্বের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের সাধ্যমত কাজ করার চেষ্টা করছে। গুগলও সেই চেষ্টায় সামিল। তারই একটি অংশ এই ডুডল। গুগল বিভিন্ন উৎসব, দিবসসহ নানা আয়োজনে ডুডল তৈরি করে।

ক্যাটাগরিঃ স্বাস্থ্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.