১১০ উপায়ে টাকা আয়ের বেস্ট ফ্রিল্যান্স জব আইডিয়া

HelloBanglaWorld - Know Everything in Banglaটিপস ও ট্রিক্স১১০ উপায়ে টাকা আয়ের বেস্ট ফ্রিল্যান্স জব আইডিয়া
Advertisements

ঠিক বুঝে উঠতে পারছেন না ঠিক কিভাবে আপনার ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করবেন? এই লেখায় আপনার জন্য এমন ১০০টি ফ্রিল্যান্স জবের লিস্ট সংকলন করা হয়েছে, যার এক বা একাধিক ধরণের জব নিয়ে কাজ শুরু করে ভালো ইনকামের পথ খুলে যেতে পারে।

এখানে যে সকল জবের আইডিয়া দেয়া হয়েছে, সেগুলোতে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার তরুণ তাদের দক্ষতা দিয়ে অবিরত নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করে নিচ্ছেন। আপনি আপনার দক্ষতা অনুযায়ী যে কাজই করেন না কেন, তাতে নিয়মানুবর্তিতা, দক্ষতা এবং কঠোর পরিশ্রমের যোগসূত্র থাকলে প্রতিমাসে ৫০০ আমেরিকান ডলার আয় করে সম্ভব। আর, আপনি এই কাজগুলো ঘরে ল্যাপটপ বা পারসোনাল কম্পিউটারে বসে ফুল-টাইম বা পার্ট-টাইম হিসাবে করতে পারবে। দৈনিক কত ঘণ্টা কাজ করবেন, সেটা সম্পূর্ণভাবেই আপনার ইচ্ছাধীন – জবের প্রকৃতির উপরেও কিছু নির্ভর করে।

এই লেখাতে যে সমস্ত জব সম্পর্কে বলা হয়েছে তার বেশির ভাগই অনলাইন মার্কেটপ্লেসভিত্তিক কর্মক্ষেত্রে প্রচলিত জব পোস্টের ভিত্তিতে করা হয়েছে। দেশের গণ্ডিভেদে বাস্তবে সব ধরণের জব সব দেশে প্রচলিত নাও থাকতে পারে – কাজের পরিমাণ কোন দেশে কম প্রচলিত, আবার কোন দেশে বহুল প্রচলিত হতে পারে।

বিভিন্ন দেশে যে সব জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসসমূহ রয়েছে, যেমন, ফাইভার (Fiverr), আপওয়ার্ক (Upwork), এনভ্যাটো স্টূডিও (Envato Studio), এবং পিপল পার আওয়ার (People Per Hour), সেগুলো নিয়ে দীর্ঘ দিনের গবেষণা করে, আমি এই সমস্ত জবগুলোর একটা লিস্ট তৈরী করেছি। অনলাইন জব মার্কেটপ্লেসগুলোর প্রধানতঃ এই সমস্ত জব এর মধ্যে থেকেই বেশির ভাগ জব পোস্ট হয়ে থাকে। ফ্রিলান্স প্রফেশনাল তরুণ/তরুণীরা এই সমস্ত জবের কর্মদক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করে নিতে পারবেন।

তাহলে জবের লিস্ট দেখে নেই এবং নিজেদের স্কিল দেখে পছন্দের জব বেছে নেই।

Writing (রাইটিং)

১। Article Writer (আর্টিকেল লেখক)

অনলাইন ম্যাগাজিন, নিউজ পাবলিশার্স, বিজনেস জার্নাল, প্রভৃতির প্রতিষ্ঠানের জন্য আর্টিকেল লিখতে পারেন।

২। Blog Writer (ব্লগ লেখক)

কোন ব্লগ কোম্পানির হয়ে ব্লগ লিখতে পারেন অথবা নিজের ব্লগ লেখার স্কিল এমন সুচারুরূপে শানিত করুন যাতে আপনাকে তাদের ব্লগের জন্য হায়ার করে। মনে রাখা জরুরী যে, ম্যাগাজিন এবং ই-বুকের জন্য যে স্কিলের প্রয়োজন হয়, ব্লগের জন্য লিখতে আরো বেশি স্কিলের প্রয়োজন হয়।

৩। eBook Writer (ই-বুক লেখক)

টিউটোরিয়াল, ইউজার গাইড এবং স্ট্রাটেজিক গাইড লিখে তা ই-বুক আকারে প্রকাশ করুন। এই ই-বুক অনলাইনে বিক্রি করে উপার্জন শুরু করতে পারেন।

৪। Fiction Writer (কল্পকাহিনী লেখক)

অনলাইন মার্কেটপ্লেসে অন্য লেখকের হয়ে ছোট গল্প, কবিতা এবং নবেল লেখার কাজও পাওয়া যায়। এ রকম কাজ করে অনেক ফ্রিল্যান্সার মাসে ৫০০ থেকে ২,০০০ ডলার উপার্জন করে থাকেন। অবশ্য আয় নির্ভর করে কনটেন্টের ধরণ এবং লেখার কলেবরের উপরে।

৫। Web Content Writer (ওয়েব কনটেন্ট লেখক)

তৈরী হতে যাচ্ছে এমন ওয়েবসাইটের “About Us”, “Privacy Policy” এবং “Terms of Service” পেজের জন্য কনটেন্ট লিখে আয় করা যায়

৬। Copywriter (কপিরাইটার)

যারা খুব ভাল মাণের “অনলাইন মার্কের্টিং” (online marketing) পারেন, তারা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জন্য অনলাইন ও প্রিন্ট প্রোমোশন ক্যাম্পেইন – দুই প্লাটফর্মের জন্য খুব ভাল মাণের কনটেন্ট লিখে ভাল পরিমাণ আয় করতে পারবেন।

৭। Writing Translator (অনুবাদক)

এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় টেক্সট ও ডকুমেন্ট অনুবাদ ও কম্পোজ করে ভাল পরিমাণ টাকা উপার্জন করা সম্ভব।

৮। Editor (লেখা সম্পাদনার কাজ)

অনেক লেখা কনটেন্টকে আরও কিভাবে সুন্দর করা যায় এবং লেখার ভুল সমূহকে কিভাবে শুধরে নিয়ে সার্বিকভাবে কারও লেখনিকে কিভাবে আরও মানসম্পন্ন করা যায় – অর্থাৎ সম্পাদকের ভূমিকা পালন করে আয় করা।

৯। Proofreader (প্রুফরিডার)

আপনি কি কোন ভাষার ব্যকরণ এবং সে ভাষাতে লেখার হাত রয়েছে। এই ধরণের স্কিল থাকলে অনলাইন পত্রিকাগুলোর প্রুফরিডারের জব আপনাকে ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে ঘরের বসে কিছু বাড়তি উপার্জনের সুযোগ করে দিতে পারে।

১০। Press Release Writer (প্রেস রিলিজ লেখক)

মিডিয়া আউটলেটের জন্য প্রাসঙ্গিক (straight-to-the-point) ও পেশাদার (professional) মানের নিউজ আর্টিকেল ও প্রেস রিলিজ লেখা থেকে উপার্জন করা যেতে পারে।

১১। Ghost Writer (ছায়া লেখক)

অন্য ব্যান্ড বা মানুষের হয়ে আর্টিকেল এবং ব্লগে লেখার মাধ্যমটি ঘরে বসে বাড়তি ইনকামের পথ খুলে দিতে পারে।

১২। Legal Writer (দালিলিক কনটেন্ট লেখক)

আইনজীবি, বিচারক এবং অন্যান্য আইনী-সহায়তা প্রদান কারী অফিসের জন্য আইনী চিঠি এবং দলিলিক কনটেন্ট লেখার মাধ্যমে বাড়তি ইনকামের ব্যবস্থা করা সম্ভব।

১৩। Resume and Cover Letter Writer (রিজিউম এবং কভার লেটার লেখক)

মুখস্ত করে পরীক্ষায় পাশ করা যায়; কিন্তু কোন ভাল প্রতিষ্ঠানে উচ্চ শিক্ষার আবেদন বা কর্পোরেট অফিসে চাকুরীর জন্য ভালভাবে এমন রিজিউম বা কভার লেটার লেখা যেটা পড়ে প্রার্থীকে প্রাথমিক বাছাইয়ে মনোনীত হওয়া যায় – এমন লেখা সবাই পারে না। পেশাদারিত্বের সাথে এমন ধরণের কাজ করে ঘরে বসে বাড়তি উপার্জন করা যায়।

১৪। Product Description Writer (পণ্যের বিবরণ লেখক)

বিভিন্ন ব্র্যান্ডের পণ্য ও সার্ভিস, তাদের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অনলাইন ও প্রিন্ট মিডিয়ার জন্য মনোগ্রাহী কনটেন্ট লেখক হওয়ার জব পাওয়া যায়। এই ধরণের জব থেকে ঘরে বসে মূল আয়ের পাশাপাশি বাড়তি উপার্জন বের করে নেয়া যায়।

১৫। Transcription Writer (ভিন দেশের অডিও শুনে ভাষান্তর)

ইংরেজী বা অন্য কোন ভাষার অডিও শুনে তা সেই ভাষার টেক্সটে রূপান্তরের কাজ বেশ ভালই পাওয়া যায় জব সাইটগুলোতে। আবার এমন জবও পাওয়া যায় যেখানে আপনাকে ছোট বিজ্ঞাপন (filler commercial) বা রেডিও’র বিজ্ঞাপনের জন্য টেক্টট লিখার জব চাইতে পারে।

১৬. Technical Writer (টেকনিক্যাল লেখক)

এই ধরণের কাজ কোন প্রোডাক্টের ম্যানুয়াল, বিস্তারিত নথি (documentation) বা কারিগরী নির্দেশিকা (technical guides) ইত্যাদি লিখবার কন্ট্রাক্ট পেয়ে যেতে পারেন।

১৭। Guest Writer (অতিথি লেখক)

কোন জনপ্রিয় ব্লগে নিজের লেখার মুন্সিয়ানা ব্যবহার করে লিখবার অনুমতি জোগাড় করে সেখানে বিভিন্ন ব্র‍্যান্ড এবং সার্ভিসের বিভিন্ন পণ্য ও প্যাকেজ সম্পর্কে রিভিউ লিখার কাজ শুরু করতে পারব। এ ধরণের কাজের ভাল চাহিদা রয়েছে।

১৮। Academic Writing (শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের জন্য লেখা)

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন পেপার ও রচনামূলক লেখা যেমনঃ প্র্যাকটিক্যাল খাতা, এ্যাসাইনমেন্ট, অপেক্ষাকৃত জটিল বিভিন্ন বিষয়ের উপরে নোট লিখে তাদের পড়াশুনার কাজকে সহজ করে দেয়ার রীতি সব দেশেই বিদ্যমান রয়েছে। এটি একটি কোটি টাকার উপার্জনের ক্ষেত্র। নিজের শিক্ষার কায়দাকে ব্র্যান্ড হিসাবে দাঁড় করাতে পারলে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

Graphic Design (গ্রাফিক ডিজাইন)

১৯। Logo Designer (লোগো ডিজাইনার)

লোগো ডিজাইন একটি সুক্ষ্ম ও ক্রিয়েটিভ কাজ। যাদের Adobe Illustrator কিংবা CorelDraw সফটওয়্যার ব্যবহারে দক্ষতা থাকে, তবে লোগো ডিজাইন কাজে তারা ভাল করবেব এবং মাসের শেষে মোটা অংকের কাজ উপার্জন করতে সক্ষম হবেন। এটি এমন এক ধরণের কাজ যার চাহিদা সবসময়ই থাকবে।

২০। Photoshop Editor (ফটোশপ এডিটর)

অন্য ক্লায়েন্টের ইমেজ নির্ভর ক্রিয়েটিভ কাজ যেখানে ছবি এডিট, রিসাইজ, ত্রুটি সারানো, কনভার্ট করা, অপটিমাইজ করা, ক্লিপিং – এমন বহু ধরণের কাজ ফটোশপ দিয়ে সম্পন্ন করা যায়। এই পেশাটি অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং একটি কাজ। আর বলাই বাহুল্য যে, এই কাজ থেকে ভাল উপার্জনের করা যায়।

২১। Website Mockup Designer (ওয়েবসাইট মকআপ ডিজাইনার)

ওয়েবসাইটের মকআপ ডিজাইনের কাজে ফটোশপ সফটওয়ারকে হরহামেশা ব্যবহার করা হচ্ছে। এই কাজের চাহিদা যেমন, তেমনি ভাল মানের এমন একজন ডিজাইনারের বেতনও অনেক। যাদের এই কাজে দক্ষতা রয়েছে, তারা ঘরে বসে মার্কেটপ্লেস থেকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করতে সক্ষম হবেন।

২২। Photo Editor (ফটো এডিটর)

অন্যের পুরাতন ও রং চটা ছবিকে ফটোশপ দিয়ে ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড পরিবর্তন ও রিটাচের মাধ্যমে ছবিগুলোকে প্রানবন্ত করে তোলার জন্য প্রফেশনাল লেভেলের দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব।

২৩। Photo Retouching (ফটো রিটাচিং জব)

ফটোশপ সফটওয়্যার দিয়ে ইমেজকে রিটাচ এবং এতে নান্দনিন পরিবর্তন, পরিবর্ধন, মেক-আপ দেয়ার জবগুলো এই ইন্ডাস্ট্রিতে একটি উচ্চ বেতনের সমাদৃত জবগুলোর মধ্যে অন্যতম।

২৪। Graphic/Poster Designer (গ্রাফিক/পোস্টার ডিজাইনার)

ডিজিটাল ও প্রিন্ট পোস্টার, সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য কাভার তৈরী করা এবং এ রকম কাজগুলো ডিজাইনারগণ করে থাকেন। এই ধরণের কাজে এক জন ডিজাইনার ফটোশপ (Photoshop) বা ইল্লাস্ট্রটর (Illustrator) ব্যবহার করে থাকেন।

২৫। Icon Design (আইকন ডিজাইনার)

বিভিন্ন ব্যান্ড বা বিজনেসের তাদের ওয়েবসাইট বা প্রিন্ট মিডিয়ার জন্য আইকন ডিজাইনারের খোঁজ করে থাকেন। এ ছাড়াও অনেক বড় বড় বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট আছে যাদের শুধুমাত্র আইকন তৈরী ও বিক্রি করার মিলিয়ন ডলারের ব্যবসা রয়েছে। এ ছাড়াও বিখ্যাত Icon Designerগণ ফেসবুকের জন্য emoji আইকন সেট বানিয়ে বিখ্যাত হয়েছেন। বাংলাদেশের কার্টুনিস্ট “মানিক এবং রতন” ফেসবুকের জন্য তৈরী করেছেন “Play with Drogo“.

২৬। Book Cover Designer (বুক কাভার ডিজাইনার)

এই ধরণের জবে ডিজিটাল এবং প্রিন্টের জন্য বইয়ের প্রচ্ছল বানানোর কাজের চাহিদা রয়েছে যেখানে বাসায় বসেই ভাল উপার্জনের সুযোগ রয়েছে।

২৭। T-Shirt Designer (টি-শার্ট ডিজাইনার)

পৃথিবী জুড়ে প্রতিটি দেশেই টি-শার্ট তৈরীর একটি ভাল বাজার রয়েছে। আপনার কি টি-শার্ট তৈরীতে ভাল দক্ষতা রয়েছে। তাহলে, এই কাজটি আপনি কনফিডেন্টলি শুরু করে দিতে পারেন।

২৮। Infographic Designer (ইনফোগ্রাফিক ডিজাইনার)

ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন এর ভাল কদর ও চাহিদা রয়েছে। এই কাজের ভাল দক্ষতা দিয়ে মাসে ৪০০ থেকে ১০০০ ডলার বা তারও বেশি উপার্জন করা সম্ভব।

২৯। CAD Designer (ক্যাড ডিজাইনার)

আর্কিটেকচার এবং স্থাপত্য ইঞ্জিনিয়ারিং প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী খসড়া স্থাপত্য নকসা তৈরীর কাজের চাহিদা রয়েছে। এই ধরণের জব করে বাসায় বসে বাড়তি উপার্জনের সম্ভাবনা প্রবল। শুধু চোখ-কান খোলা রেখে কাজের কন্ট্রাক্ট পেতে হবে।

৩০। Vector Designer (ভেক্টর ডিজাইন)

ভেক্টর ডিজাইনের সফটয়্যার দিয়ে বিভিন্ন ধরণের কার্টুন ও ক্যারিকেচার তৈরী করে সেগুলো প্রিন্ট ও ইলেক্ট্রনিক মিডিয়াতে সরবরাহ করা জবের ভাল চাহিদা রয়েছে।

৩১। Cartoon Artist (কার্টুন আর্টিস্ট)

বিভিন্ন ব্র্যান্ড, ম্যাগাজিন ও পত্রিকার জন্য কমিক ও কার্টুন আঁকা একটি সম্মানজনক পেশা, যা ঘরে বসে করা যায়।

৩২। Banner/Ad Designer (ব্যানার/এ্যাড ডিজাইনার)

বিভিন্ন বিলবোর্ড (billboard), কাট-আউট (cutouts) এবং ওয়েবসাইটের ব্যানার এর মত ডিজিটাল এবং প্রিন্ট মিডিয়ার এ্যাড ডিজাইনারের ভাল চাহিদা রয়েছে। এই ধরণের কাজগুলো অনলাইন মার্কেটপ্লেস থেকেও পাওয়া যায়। বিভিন্ন দেশের শত শত ক্রিয়েটিভ তরুণ-তরুণীরা এই পেশার নিয়োজিত থেকে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন করে দেশের সমৃদ্ধিতে অবদান রাখছে।

৩৩। Wedding Album Designer (ওয়েডিং এ্যালবাম ডিজাইনার)

বিবাহ অনুষ্ঠানের স্টিল ছবি ও ভিডিও প্রোগ্রামের ছবি সুন্দর করে সাজিয়ে দেয়ার কাজের এখন ভাল চাহিদা রয়েছে। এই ধরণের কাজের পারিশ্রমিকও ভাল।

৩৪। Sketch Artist (স্কেচ আর্টিস্ট)

ক্লায়েন্টের চাহিদা অনুযায়ী, তাদের আইডিয়া শুনে ছবি এঁকে দেয়া বা স্থাপত্য বানিয়ে দিয়ে অর্থ উপার্জনের পথ করে নিয়েছেন অনেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।

৩৫। Digital Artist (ডিজিটাল আর্টিস্ট)

ডিজিটাল সফটওয়্যার দিয়ে মানুষের প্রতিকৃতি, ল্যান্ডস্কেপ এবং সুন্দর ও মোহনীয় ছবি অংকন করা।

৩৬। Vector Illustrator (ভেক্টর ইল্লাস্টেটর)

ওয়েবসাইটের জন্য ইল্লাস্টেশন এবং ছবি আঁকা।

৩৭। Print Designer (প্রিন্ট ডিজাইনার)

Adobe Illustrator, CorelDraw সফটওয়্যার দিয়ে ব্রোকার, লিফলেট, বিজনেস কার্ড, ইত্যাদি কাজ করা।

৩৮। Concept Artist (কনসেপ্ট আর্টিস্ট)

বর্তমানে ভিডিও গেম ও এ্যানিমেশন তৈরীর কাজের বিপুল চাহিদা রয়েহে। এই ধরণের কাজের ডেভেলপারদেরকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী তাদের জন্য কনসেপ্ট দিয়ে সহায়তা করা ও কনসেপ্ট অনুযায়ী আর্টওয়ার্ক এঁকে দিয়ে ভাল উপার্জন করা যায়। এই ধরণের কাজে যাদের রয়েছে তারা তাদের স্কিল নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে পারেন।

৩৯। Oil Painter (তৈল চিত্রকর)

তৈল চিত্রকর একটি পুরাতন আর্ট যেখানে এখন এটিকে শৌখিন কাজ বলে গণ্য করা হয়। ডিজিটাল পেইন্টিং এর দাপটে এটি হারিয়ে যেতে যেতেও টিকে আছে, কিন্তু কদর এখনও কমে নাই। তৈল চিত্র এঁকে বিভিন্ন আর্ট গ্যালারী ও অনলাইনে বিক্রি করে অন্যান্য পেশা থেকে বেশ আয় করছেন, এমন অনেককে খুঁজে পাওয়া যায়।

৪০। Flyer Designer (ফ্লায়ার ডিজাইনার)

বিভিন্ন ব্যান্ড ও ব্যবসার প্রচারণার কাজে প্রচুর ফ্লায়ার তৈরীর কাজ রয়েছে। ডিজিটাল সফটওয়্যারের মাধ্যমে ফ্লায়ার তৈরীর কাজে ঘরে বসে বাড়তি উপার্জন করা যায়।

৪১। Brochure Designer (ব্রোকার ডিজাইনার)

ঘরে বসে বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও বিজনেসের জন্য ব্রোকার ডিজাইন করা।

Web Development (ওয়েব ডিভেলপমেন্ট)

৪২। Front-End Designer (ফ্রন্ট-এন্ড ডিজাইনার)

সারা বিশ্ব জুড়ে ফ্রন্ট-এন্ড ডিজাইনারের চাহিদা এখন তুঙ্গে। একটি ওয়েবসাইটের প্রারম্ভিক ওয়েবপেজ এবং এর ভিতরের সকল পেজগুলো কিভাবে তৈরী করা যায় – তার সবটুকুই এই ফ্রন্ট-এন্ড ডিজাইনার পেশার ক্রিয়েটিভ তরুণ-তরুণীরা করে থাকেন। এই ধরণের জব থেকে রয়েছে প্রচুর আয়ের সম্ভাবনা। শুধু দরকার এই কাজের ভাল স্কিল।

৪৩। Back-End Developer (ব্যাক-এন্ড ডেভেলপার)

একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন মক-আপ (design mockup) হাতে পাওয়ার পর কাজ শুরু করেন ব্যাক-এন্ড ডিজাইনারগ। ওয়েবসাইটের যত ধরণের কাজ (functionality) রয়েছে তা কিভাবে সম্পন্ন হবে সেটি নিশ্চিত করেন এই ব্যাক-এন্ড ডেভেলপারগণ।

একটি ওয়েবসাইটের সাফল্য নির্ভর করে এই ইন্টারফেসটি ব্যবহারকারীরা কত সহজে ব্যবহার করতে পারছেন তার উপরে। ব্যবহারকারীদের জন্য এটি নিশ্চিত করেন একজন UX/UI Designer। এই ধরণের জবে ভাল বেতন অফার করে থাকে।

৪৫। Plugin Developer (প্লাগিন ডেভেলপার)

বিভিন্ন ধরণের কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম, যেমন, ওয়ার্ডপ্রেস, জুমলা, ইত্যাদির বিভিন্ন ধরণের কাজের জন্য প্লাগিন তৈরী করার জন্য এই পেশার এক্সপার্টদের প্রয়োজন হয়।

৪৬। WordPress Expert (ওয়ার্ডপ্রেস এক্সপার্ট)

ওয়ার্ডপ্রেস এক্সপার্টগণ বিভিন্ন কোম্পানী, এজেন্সী ও একক ক্লায়েন্টের প্রয়োজনে তাদের ওয়েবসাইট ও ব্লগের জন্য ওয়ার্ডপ্রেস কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম দিয়ে ওয়েবসাইট তৈরী করে থাকেন।

৪৭। Web Font Designer (ওয়েব ফন্ট ডিজাইনার)

ওয়েবসাইটের জন্য বিশেষ ডিজাইনের ফন্ট ও আইকন (font and icon) ডিজাইন করে ঘরে বসে অর্থ উপার্জন করা যায়। এই ধরণের জবগুলো বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে পাওয়া যায়।

৪৮। Server Administrator (সার্ভার এ্যাডমিনিস্ট্রেটর)

বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও ডাটাবেজ সার্ভার কনফিগার করা, এর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এতে প্রয়োজনমত সফটওয়্যার ইন্সটল করা এবং নির্দিষ্ট সময় পর পর অটোমেটেড কাজ করা ও ব্যাক-আপ নেয়ার মত চ্যালেঞ্জিং কাজগুলো করে থাকেন সার্ভার এ্যাডমিনিস্ট্রেটরগণ।

৪৯। Website Builder (ওয়েবসাইট বিল্ডার)

বিভিন্ন বিজনেসের ওয়েবসাইটের জন্য ডোমেইন নেম, হোস্টিং এবং ওয়েবসাইট তৈরীর বিভিন্ন সার্ভিস প্রদান করে ঘরে বসেই মোটা অংকের টাকা উপার্জন করছে বিভিন্ন দেশের শত শত তরুণ-তরুণীরা।

App Development (এ্যাপ ডেভেলপমেন্ট)

৫০। App UI Designer (এ্যাপ ইউ.আই. ডিজাইনার)

মোবাইল এ্যাপের জন্য ইন্টারফেস তৈরী করে দেয়া।

৫১। App Developer (এ্যাপ ডেভেলপার)

এই পেশার এক্সপার্টগণ বিভিন্ন মোবাইল এ্যাপ তৈরী করে থাকেন। সারা পৃথিবীর

৫২। Game Developer (গেম ডেভেলপার)

সাধারণতঃ গেম ডেভেলপাররা একটি টিম আকারে কাজ করে থাকেন। এই পেশায় শুধূ ডেভেলপার নয়, বিভিন্ন ক্যারাকটারের ডিজাইন মক-আপের জন্য প্রয়োজন হয় আর্টিস্টের। আর গেমগুলোকে সাধারণতঃ এ্যান্ড্রয়েড ও আইফোনের জন্য রিলিজ দেয়া হয়।

Consulting (কন্সালটিং)

৫৩। Financial Advisor (ফিনান্সিয়াল এ্যাডভাইজর)

বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আর্থিক ব্যবস্থাপনা কেমন হবে সে বিষয়ে এক্সপার্ট পরামর্শ দিয়ে এবং তাদের কাজের সুবিধার জন্য কর্মকর্তাদের ট্রেনিং দেয়া।

৫৪। Legal Consultant (লিগ্যাল কন্সালট্যান্ট)

বিভিন্ন কর্পোরেট এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের আইনী সমস্যা সমাধানে কন্সালট্যান্ট হিসাবে কাজ করে তাদেরকে বিভিন্ন আর্থিক প্রচারণার হাত থেকে রক্ষা করা। এই কাজে সংশ্লিষ্ট দেশের বিভিন্ন ধরণের আইণ সম্পর্কে এক্সপার্টগণ এই কাজে জড়িত হতে পারেন।

৫৫। SEO Consultant (এসইও কন্সালট্যান্ট)

বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিন বিশেষ করে গুগল (Google) এর সার্চ রেজাল্টের কোন কোম্পানীর ডিজিটাল উপস্থিতি সুনিশ্চিত করে এসইও কন্সালট্যান্ট (SEO Consultant) ভাল উপার্জন করেন। এই কাজে ভাল এক্সপার্টদের চাহিদা প্রচুর এবং এটি একটি মিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রি।

৫৬। Health Advisor (হেলথ এ্যাভাইজর)

ডাক্তারী পেশার এক্সপার্টগণ তাদের স্কিল দিয়ে টেলিফোনে ও ওয়েবপোর্টালের মাধ্যমে মানুষকে মেডিকেল সুবিধা প্রদান করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

৫৭। Parenting Advisor (প্যারেন্টিং এ্যাডভাইজর)

সন্তানের পিতা-মাতা হওয়া যত সহজ তাদেরকে সঠিকভাবে মানুষ করে গড়ে তোলা ততটা সহজ কাজ নয়। আর এই কাজে সহায়তা করার জন্য রয়েছে সঠিক প্যারেন্টিং এ্যাডভাইজর। পিতা-মাতাকে সুন্দরভাবে সন্তান গড়ে তোলার পরামর্শ দিয়ে বাড়তি আয়ের ব্যবস্থা করা যায়।

৫৮। Fitness Advisor (ফিটনেস এ্যাডভাইজর)

সঠিক মাত্রা খাবার গ্রহনের পরামর্শ দিয়ে এবং একই সাথে সঠিকভাবে ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে তোলার দিক নির্দেশনা দেয়া মাধ্যমে বাড়তি আয়ের পথ করে নেয়া যায়

৫৯। Career Advisor (ক্যারিয়ার এ্যাডভাইজর)

উচ্চ শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার গঠনে সঠিক পরামর্শ দেয়া এবং সঠিক কর্মক্ষেত্র বেছে নিতে সহায়তা করা। সারা বিশ্ব জুড়েই এই ধরণের কাজের স্বীকৃতি রয়েছে। এটিও একটি মিলিয়ন ডলারের ইন্ডাস্ট্রি।

Video Production (ভিডিও প্রোডাকশন)

৬০। Intro Videos (ইন্ট্রো ভিডিও)

বিভিন্ন ব্র্যান্ড ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের প্রচারণা ও পণ্যের প্রমোশনাল এ্যাকটিভির জন্য আকর্ষনীয় ইন্ট্রো ভিডিও তৈরী করা।

৬১। Explainer Videos (বিশ্লেষণী ভিডিও)

বিভিন্ন পণ্য, সফটওয়্যার বা এ্যাপে কিভাবে কাজ করে সে সম্পর্কে ভিডিও তৈরী করা।

৬২। Video Testimonials (ভিডিও টিস্টিমোনিয়াল)

বিভিন্ন পণ্য সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের মতামত বা রিভিউ নিয়ে ভিডিও তৈরী করা যেখানে তারা এই পণ্যের ভাল-মন্দ দিকগুলো নিয়ে তাদের মতামত তুলে ধরেন। ইউটিউবে এই ধরণের ভিডিও রয়েছে হাজার হাজার। দেখা যাচ্ছে, এই ধরনের জবের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে, আর এই কাজে অর্থ উপার্জনের যোগটাও নেহাৎই কম না।

৬৩। Stop-Motion Videos (স্টপ-মোশন ভিডিও)

স্টপ-মোশন টেকনিক ব্যবহার করে চমৎকার স্টপ-মোশন ভিডিও তৈরী করা।

৬৪। Video Animator (ভিডিও এ্যানিমেটর)

বিভিন্ন ব্যবসায়িক পণ্য ও ইউটিউব ভিডিওতে ছোট ছোট এ্যানিমেটেড ক্লিপ তৈরী করা।

৬৫। Social Media Video Creator (সোশ্যাল মিডিয়ার ভিডিও ক্রিয়েটর)

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে প্রচারের উদ্দ্যেশ্যে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জন্য প্রোমোশনাল ভিডিও তৈরী করা।

৬৬। YouTube Video Editor (ইউটিউব ভিডিও এডিটর)

ইউটিউবে যারা নতুন চ্যানেল খুলেছেন তাদেরকে ভিডিও তৈরী ও তাদের ভিডিওগুলো কিভাবে আরও উন্নততর করা যায় এ ভাবে পরামর্শমূলক সেবা প্রদান করা।

Audio Production (অডিও প্রোডাকশন)

৬৭। Voice-Over Artist (ভয়েস-ওভার আর্টিস্ট)

যাদের সুন্দর কণ্ঠস্বর রয়েছে তারা অনলাইন/এফ-এম রেডিওতে ও ভিডিও প্রোডাকশন হাউসে ভয়েস-ওয়ার আর্টিস্ট হিসাবে কাজ করতে পারেন।

৬৮। Audio Editor (অডিও এডিটর)

পডকাস্ট এবং অন্যান্য অডিও কনটেন্ট তৈরীতে ক্লায়েন্টদেরকে সহায়তা করা। এই ধরনের জব ফিল্যান্সিং এর মাধ্যমে করা সম্ভব।

৬৯। Audio Translator (অডিও ট্রান্সলেটর)

সারা পৃথিবীতে ৬,৫০০ টি কথ্য ভাষা রয়েছে। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এই ধরণের জবে বহু-ভাষাবিদ এক্সপার্টদেরকে হন্যে হয়ে খুঁজে ফিরছে বহু প্রতিষ্ঠান। এতে সাধারনতঃ মেডিকেল প্রফেশনালদের ল্যাবের কাজের ধারাবর্ণনা অডিও টেপে ধারণ করে রাখেন, যা পরে অন্য ইংরেজীত টেক্সট আকারে লিখে রাখতে হয়।

৭০। Music Composition (মিউজিক কম্পোজিশন)

সাধারণতঃ বিভিন্ন পণ্যে, প্রমোশনাল ভিডিও ও এন্টারটেইনমেন্ট ভিডিও কনটেন্টে বিভিন্ন ধরণের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, সাউন্ড ইফেক্ট এবং জিংগল তৈরী করার কাজ করতে হয়।

৭১। Record Podcast Ads (রেকর্ড পডকাস্ট এ্যাডভারটাইজমেন্ট)

বিভিন্ন ব্রান্ডের পডকাস্টের জন্য আকর্ষনীয় বিজ্ঞাপন তৈরীর কাজের চাহিদা রয়েছে। ঘরের তৈরী করা যায় বিধায় অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এই ধরণের কাজ থেকে বাড়তি উপার্জনের সুযোগ রয়েছে।

Virtual Assistance (ভার্চুয়াল এ্যাসিসটেন্স)

৭২। Virtual Assistant (ভার্চুয়াল এ্যাসিসটেন্ট)

বিভিন্ন কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান তাদের কাজের কিছু অংশ আউটসোর্স করে থাকেন। সাধারণতঃ অন-ডিমান্ডে মিটিং, বিভিন্ন কাজের কর্মসূচীর পরিকল্পনা করা, এই রকম আরও অনেক ধরণের কাজ রিমোটলি করে দেয়ার জন্য বাহিরের কোন ব্যক্তির সহায়তা নিয়ে থাকেন। অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এই ধরনের কাজ বেশ দেখা যায়। আর, ঘরে বসে অনলাইনে এই ধরনের জব থেকে অর্থ উপার্জন করা বর্তমানে কোন ফ্যাশন নয়, বরং রীতিমত একটি সম্মানজনক পেশা।

৭৩। Data Entry (ডাটা এন্ট্রি)

এই কাজটির সাথে আর নতুন করে পরিচয় করে দেয়ার প্রয়োজন নেই। উন্নত দেশের অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের অনেক প্রিন্টেড/হার্ড পেপার ভার্সনের ডিজিটাইজ করার জন্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আউটসোর্স করে থাকেন। আর, এই ধরণের কাজ করে ঘরে বসে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে স্বাবলম্বী হয়েছে অনেক তরুণ-তরুনী।

৭৪। Marketing Strategist (মার্কেটিং স্ট্রাটেজিস্ট)

বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জন্য তাদের অনলাইন মার্কেটিং এর জন্য কার্যকর কর্মপদ্ধতি তৈরীতে প্রফেশনাল সেবা দেয়া।

৭৫। Social Media Manager (সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার)

বিভিন্ন কোম্পানীর বিবিধ ব্র্যান্ডের জন্য জন্য ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ইন্সটাগ্রামের মত বড় বড় সোশ্যাল মিডিয়াতে যথোপযুক্ত পেজ বা চ্যানেল তৈরী করে সঠিক ভাবে ও সময়ে কনটেন্ট আপলোড করা এবং ফলোয়ারকে পণ্য ও সেবা সম্পর্কে অবহিত করা।

৭৬। Live Chat Agent (লাইভ চ্যাট এজেন্ট)

বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জন্য তাদের বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়াতে লাইভ চ্যাট এজেন্ট হিসাবে কাজ করা। বিশ্বের সব দেশের এই কাজটিতে শত শত তরুণ-তরুণী কাজ করছেন। কাজটির প্রচুর চাহিদা রয়েছে।

৭৭। Recruiting Agent (রিক্রুটিং এজেন্ট)

বিভিন্ন কোম্পানীতে কাজের জন্য বিভিন্ন ধরণের ও সঠিক স্কিলের কর্মী ও ফ্রিল্যান্সার খুঁজে দেয়া।

৭৮। Customer Support Representative (কাস্টমার সাপোর্ট রিপ্রিজেন্টেটিভ)

বিভিন্ন কোম্পানীর কাস্টমারদের বিভিন্ন প্রোডাক্ট ও সার্ভিস সম্পর্কে অবহিত করা এবং বিক্রিত মালামালের সমস্যার সমাধানের জন্য কাস্টমার সাপোর্টে কাজ করা।

৭৯। Zendesk Consultant (জেনডেস্ক কন্সালটেন্ট)

বিভিন্ন কোম্পানীর কাস্টমার এবং সাপোর্ট সিস্টেমকে স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমের মধ্যে নিয়ে আসতে জেনডেস্ক সিস্টেমকে কাজে লাগানো, এবং এটি সেট-আপ ও কর্মপদ্ধতি সম্পর্কে অবহিত করা।

৮০। Project Manager (প্রজেক্ট ম্যানেজার)

কোন বড় কোম্পানীর বিভিন্ন প্রজেক্টে ম্যানেজার হিসাবে কাজ করা।

৮১। Bookkeeper (বুক কিপার)

কোন কোম্পানীর এ্যাকাউন্টিং ডিপার্টমেন্টের বিভিন্ন আর্থিক কাজের হিসাব রাখার কাজ করা।

৮২। Technical Assistant (টেকটিক্যাল এ্যাসিসটেন্ট)

বিভিন্ন কোম্পানীর কম্পিউটার, ফ্যাক্স, ফটোকপিয়ার, ডিজিটাল ফোন এক্সজেঞ্জ – এমন বিভিন্ন ধরণের টেকটিক্যাল যন্ত্রপাতির সমস্যার সমাধান করে দেয়া।

Animation (এ্যানিমেশন)

৮৩। Explainer Video Animation (এক্সপ্লেইনার ভিডিও এ্যানিমেশন)

বিভিন্ন ধরণের এক্সপ্লেইনার ভিডিওর জন্য ক্যারাকটার তৈরী করা এবং সেগুলোকে এ্যানিমেট করার কাজ করা।

৮৪। 3D Model Designer (থ্রিডি মডেল ডিজাইনার)

ফার্নিচার, যানবাহন, পণ্য – এমন বিভিন্ন জিনিষের জন্য সফটওয়ার দিয়ে থ্রিডি মডেল তৈরী করা।

Marketing (মার্কেটিং)

৮৫। Lead Generator (লিড জেনারেটর)

বিভিন্ন ধরণের সফটওয়ার যেমনঃ ম্যাজেন্টো (Magento), উকমার্স (WooCommerce), জেনডেস্ক (Zendesk) ইত্যাদি ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানীর পণ্যের বিক্রি বৃদ্ধিতে সহায়তা করা।

৮৬। Presentation Designer (প্রেজেন্টেশন ডিজাইনার)

বিভিন্ন কাজের জন্য প্রয়োজনীয় পাওয়ারপয়েন্ট প্রজেন্টেশন (Powerpoint presentation) ডিজাইন করা এবং এর সাথে সম্পর্কিত যথোপযুক্ত কনটেন্ট তৈরী করা।

৮৭। Online Advertising Expert (অনলাইন এ্যাডভারটাইজিং এক্সপার্ট)

গুগলের এ্যাডওয়ার্ড (Google AdWords), ফেসবুক এ্যাড (Facebook Ads) ব্যবহার করে বিভিন্ন কোম্পানীর পণ্য ও ক্যাম্পেইন পরিচালনার কাজ করা।

৮৮। Social Media Editor (সোশ্যাল মিডিয়া এডিটর)

সোশ্যাল নেটওয়ার্কের জন্য ভাল কনটেন্ট, গ্রাফিক্স এবং পোস্ট রচনা ও অপ্টিমাইজের কাজ করা।

৮৯। Email Designer (ইমেইল ডিজাইনার)

ইকমার্স ওয়েবসাইটের পণ্যের প্রচার, প্রসার ও ওয়েবসাইটে ক্লিক বাড়াতে সুন্দর ও প্রাসঙ্গিকভাবে ইমেইল লেখা, ইমেইল টেমপ্লেট তৈরী করা এবং ইমেল ডিজাইনের কাজ করা।

৯০। Email Outreach (ইমেইল আউটরিচ)

বিভিন্ন কোম্পানীর বিভিন্ন ব্র্যান্ড, ব্লগ ও পাবলিকেশনের ব্যাপক প্রচারের জন্য ইমেইল আউটরিচ ক্যাম্পেইন পরিকল্পনা ও তা সার্থক করার কাজ করা।

৯১। Traffic Generation (ট্রাফিক জেনারেটর)

যাদের ওয়েবসাইট আছে কিন্তু তাদের ওয়েবসাইটে তেমন ট্রাফিক নেই এমন ওয়েবসাইটের জন্য কিভাবে ট্রাফিক আনতে হয় সেটা ফি এর মাধ্যমে মানুষকে দেখানো বা ট্রাফিক আনার ব্যবস্থা করে দেয়া।

৯২। Write Product Reviews (প্রোডাক্ট রিভিউ রাইটার)

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য সম্পর্কে রিভিউ লেখার কাজ করা।

৯৩। Keyword Research (কিওয়ার্ড রিসার্চ)

বিভিন্ন কোম্পানীর ওয়েবসাইটে তাদের পণ্য ও সেবার সাথে সম্পর্কিত কিওয়ার্ড রিসার্চ করা।

৯৪। PR Submission (পি.আর. সাবমিশন)

প্রত্যেক দেশেই বিভিন্ন জনপ্রিয় ব্লগ ও পাবলিকেশনে বিভিন্ন পণ্যের লঞ্চিং যেমনঃ স্মার্টফোনের রিলিজ, এ্যাপ রিলিজ, মুভি রিলিজ প্রভৃতি সম্পর্জে রিভিউ লেখার জন্য ভাল রিভিউ রাইটারের প্রয়োজন হয়। যাদের ভাল লেখালেখির হাত রয়েছে তারা এই সমস্ত কাজের জন্য নিজের স্কিলে মুন্সিয়ানার পরীক্ষা দিতে পারেন।

৯৫। Market Research (মার্কেট রিসার্চ)

বিভিন্ন কোম্পানীর টার্গেট অডিয়েন্স সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা করা এবং প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্ত নিয়ে গবেষণা করে তাদের পণ্যের প্রসারে সহায়তা করা।

৯৬। Branding Services (ব্র্যান্ডিং সার্ভিসেস)

নতুন কোম্পানী বা কোম্পানীর নতুন ব্র্যান্ড বা নতুন পণ্যের জন্য আকর্ষনীয় ট্যাগলাইন, শ্লোগান এবং ব্র্যান্ড নেম প্রস্তাব করা।

৯৭। Outdoor Advertising (আউটডোর এ্যাডভারটাইজিং)

বিভিন্ন কোম্পানীর সাথে যোগাযোগ করে তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য ডিজিটাল, স্পিন বোর্ড, ইত্যাদি সার্ভিস অফার করা।

৯৮। Content Strategist (কনটেন্ট স্ট্রাটেজিস্ট)

বিভিন্ন কোম্পানীর ও ব্র্যান্ডের প্রচার ও প্রসারের জন্য সঠিক ও যথোপযুক্ত কনটেন্ট সৃষ্টির স্ট্রাটেজি প্রণয়নে সহায়তা করা।

৯৯। Content Marketer (কনটেন্ট মার্কেটিং)

বিভিন্ন কোম্পানী এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিদ্যমান কনটেন্টের ব্যাপক প্রচারের জন্য যথোপযুক্ত মার্কেটিং পলিসি নির্ধারণে সহায়তা করা।

Other (অন্যান্য)

১০০। Freelance Photographer (ফ্রি ফটোগ্রাফার)

স্থানীয় বিভিন্ন অফিসের ইভেন্টের জন্য ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার হিসাবে কাজ করা।

১০১। YouTube Thumbnail Artist (ইউটিউব থাম্বনেইল আর্টিস্ট)

ইউটিউবের বিভিন্ন চ্যানেলের ভিডিওতে ব্যবহারের জন্য আকর্ষনীয় থাম্বনেইল ডিজাইন করা।

১০২। Website Critique (ওয়েবসাইট রিভিউ)

বিভিন্ন ওয়েবসাইটের বিভিন্ন বিষয়ের উপরে পুঙ্খানুপুঙ্খ নিরীক্ষা করা যেমন, ডিজাইন, নিরাপত্তা ত্রুটি, ইতাদি এবং এদের ধরণের বিরূপ প্রভার নিরোধে কি ধরণের ব্যবস্থা নেয়া যায় সে সম্পর্কে পরামর্শ ও প্রয়োজনে কারিগরী সহায়তা দেয়া।

১০৩। Data Analyst (ডাটা এনালিস্ট)

বিভিন্ন কোম্পানীর কাছে থেকে বিভিন্ন ধরণের ডাটা নিয়ে সেগুলো থেকে এক্সেল সিট (Excel sheet), গ্রাফ (graph) এবং ড্যাশবোর্ড (dashboard) তৈরী করে দেয়া।

১০৪। Create Documents (ডকুমেন্ট তৈরী)

InDesign সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের পিডিএফ ডকুমেন্ট তৈরী এবং পিডিএফের বিভিন্ন ফিচার ব্যবহার করে ইবুক তৈরীতে স্কিল থাকলে এই ধরণের জব থেকে ভাল উপার্জন করা যায়।

১০৫। Gaming Help (গেমিং হেল্প)

শুনতে অবাক করা হলেও এটা সত্য যে, অনেক হার্ডকোর গেমার রয়েছে যারা Clash of Clans বা League of Legends এ টিম তৈরীতে বা কোন বুস্ট পাওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন, কিন্তু, তা নিতে পারছে না; এমন গেমাররা টাকা খরচ করে হলেও সেগুলো সংগ্রহ করে থাকেন। এই ধরণের গেমে যারা পারদর্শী তারা বিভিন্ন গেমিং এর বিভিন্ন ফেসবুক গ্রুপ ও ওয়েবসাইট থেকে আগ্রহী গেমারদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

১০৬। Cooking Lessons (রান্না শিক্ষা)

বিভিন্ন ধরণের খাবার তৈরীর কৌশল সম্পর্কে লিখে বা ভিডিও তৈরী করে ইকমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করা।

১০৭। Makeup Lessons (মেক-আপ লেসন)

সবাই নিজেকে সুন্দর করে উপস্থাপন করতে চায় কিন্তু এই কাজটি সুচারুরূপে সম্পন্ন করা সহজ কাজ নয়। সুন্দর মেক-আপ নেয়ার কৌশন নিয়ে ভিডিও তৈরী করে তা ইকমার্স ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বিক্রি করা।

১০৮। User Testing (ইউজার টেস্টিং)

বিভিন্ন সফটওয়্যার কোম্পানী তাদের সদ্য তৈরী করা এ্যাপ, সফটওয়্যার এবং ওয়েবসাইটের বিভিন্ন অংশের টেস্টিং বা ত্রুটি বের করার জন্য টেস্টার নিয়োগ দিয়ে থাকেন বা রিমোট জব অফার করে থাকেন।

১০৯। Travel Planner (ট্রাভেল প্ল্যানার)

বিভিন্ন কোম্পানীর তাদের এমপ্লয়ীদের ট্যুরের জন্য ট্যুর প্ল্যানার মাধ্যমে যাত্রার সমস্ত দায়িত্ব দিয়ে থাকেন। পৃথিবী সব দেশেই এ ধরণের অনেক কোম্পানী রয়েছে যারা গাইডেড ট্যুরের সব ধরণের ব্যবস্থা করে থাকে।

১১০। Private Tutor (প্রাইভেট টিউটর)

পরিশেষে যে জবটি সম্পর্কে না বলেলেই নয়। পৃথিবীর সব ক’টি দেশেই এই জবটি একটি কোটি কোটি টাকার ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। শিক্ষা প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা ছাড়াও ঘরে ঘরের শিক্ষার্থীদের জন্য উপযুক্ত শিক্ষা দানের জন্য প্রাইভেট টিউটর নিয়োগ একটি প্রাচীন পদ্ধতি। যারা মেধাবী ও শিক্ষা দেয়ার টেকনিক রয়েছে, তারা এই কাজটি করে যাচ্ছেন যুগ যুগ ধরে। আর এই জবটির মাধ্যমে অর্থ উপার্জন একটি বহুল প্রচলিত পন্থা।


এই লেখার মাধ্য দিয়ে এতক্ষণ বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস ছাড়াও বিভিন্ন আরও উপায়ে অর্থ উপার্জনের ১০০+ পদ্ধতির উপরে আলোচনা করা হয়েছে। এ ছাড়াও আরও অনেক পদ্ধতি থাকতে পারে, যা লিপিবদ্ধ করা হয় নাই। সম্মানিক পাঠকবৃন্দ, আপনাদের জানা রয়েছে এমন কোন পদ্ধতি যা এখানে লেখা হয় নাই? নিচের কমেন্ট বক্সে লিখে জানাতে পারেন। পরবর্তী সংস্করনে তা এই লেখার সাথে যুক্ত করে নেয়া হবে।


পড়ার মত আরও আছে

ক্যাটাগরিঃ টিপস ও ট্রিক্স

4 thoughts on “১১০ উপায়ে টাকা আয়ের বেস্ট ফ্রিল্যান্স জব আইডিয়া

  1. অনেক ভালো আইডিয়া, লাইফের বেস্ট আইডিয়া আপনার পোস্ট থেকে পাইছি স্যার। ধন্যবাদ 🙂
    আমার জীবনের চাকা উইরা গেছে,, এখন আমি শুধু আকাশে উড়ি। আরেকটা পোস্ট দিয়েন এ স্বমন্ধে যাতে আবার নিচে নামতে পারি।

    1. ১। আপনি কোন ধরণের কাজ করে লস খেয়েছিলেন?
      ২। আপনার কি কি skill আছে আমাদেরকে জানান যাবে?

      এ দু’টি প্রশ্নের উত্তর পেলে আপনাকে কেরিয়ার সংক্রান্ত পরামর্শ জানাতে সুবিধা হবে।

      1. আমি লিখতে পারি..এই ধরুন আর্টিকেল,গল্প,কবিতা,নিবন্ধ,ইত্যাদি

        1. লেখালেখিতে ভাল বুৎপত্তি থাকলে আপনি আপনার স্কিল কাজে লাগিয়ে বিভিন্নভাবে অর্থ উপার্জন করতে পারেন। বিশেষ করে যারা ইংরেজীতে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজ করে লিখতে পারেন তাদের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। লেখার মাধ্যমে উপার্জন করার আমি ২/৩টি জনপ্রিয় উপায় সম্পর্কে আপনাকে জানানোর প্রয়াস নিলাম মাত্র।
          ১। Facebook এ Search Engine Optimization (SEO) সম্পর্কিত গ্রুপগুলোতে জয়েন করুন। এখানে বিভিন্ন ওয়েবসাইটের মালিকেরা তাদের ওয়েবসাইটের জন্য ভাল মানের লেখার জন্য লেখক খুঁজে থাকেন। এখান থেকে আপনি আপনার স্কিলের সদব্যবহার করতে পারেন।
          ২। বিভিন্ন অনলাইন মার্কেটপ্লেস, যেমন, UpWork, Fiverr, Pay-per-Hour ইত্যাদিতে Content Writer হিসাবে আপনার প্রোফাইল প্রফেশনালি তৈরী করুন। এখান থেকে আপনার লেখার মাধ্যমে আয়ের পথ বের হয়ে যাবে। এই সমস্ত মার্কেটপ্লেসে প্রধাণতঃ ইংরেজীতে লেখার জন্য রাইটারের কাজ পাওয়া যায়।
          ৩। দেশে Roar Bangla বা এমন কিছু প্লাটফর্মে পেশাদার লেখকের জন্য খোঁজ করে থাকে। এমন প্লাটফর্মে আপনার লেখার মাধ্যমে নিজের তুলে ধরতে পারেন। আর, এই প্লাটফর্মে কাজ করলে এই রেফারেন্স দিয়ে আপনার সিভি কে আরও সমৃদ্ধ করে নিতে পারেন।
          আমার পরামর্শ আপনার কোন কাজে লাগলে আমার প্রচেষ্টা সফল হবে বলে মনে করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.