স্মার্টফোনে ভাইরাস: বুঝবার উপায় ও দূর করবেন যেভাবে

HelloBanglaWorld - Know Everything in Banglaটিউটোরিয়ালস্মার্টফোনে ভাইরাস: বুঝবার উপায় ও দূর করবেন যেভাবে

আপনি যখন হ্যাকারদের কথা চিন্তা করেন, তখন আপনি সম্ভবত দুটি জিনিসের কথা ভাবেন। হয় বড় মাপের, এন্টারপ্রাইজ আক্রমণ যা লক্ষ লক্ষ ক্ষতির কারণ হয়, অথবা মাইক্রো ফিশিং আক্রমণ যা সবচেয়ে দুর্বল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের শিকার করে। ইন্টারনেটের এই যুগে বেড়ে উঠার সময়, এই কথাটি মনে গেঁথে রাখা উচিত যে, ভাইরাস, ম্যালওয়্যার – যে নামেই ডাকেন না কেন – এগুলো আমাদের ফোনকে ধ্বংস করছে এবং সামান্যতম সন্দেহ উদ্রেক না করে আমাদের অজান্তে আমাদের ডেটা মাইনিং করছে।

কিন্তু, ডিজিটাল যুগে ডেস্কটপ থেকে মোবাইল ডিভাইসে স্যুইচ করেছে, হ্যাকাররাও তাই করেছে। আজ, আপনার সেল ফোনটি আপনার ল্যাপটপের মতোই দুর্বল হতে পারে। তাহলে কিভাবে বুঝবেন আপনার ফোনে ভাইরাস আছে? এই টিউটোরিয়ালে মোবাইলে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণগুলি খেয়াল করুন, তারপর ভাইরাস অপসারণের জন্য কার্যকরভাবে সমস্যা সমাধান করুন।

ফোন কি ভাইরাস আক্রান্ত হতে পারে?

ফোনে ভাইরাস আক্রান্ত হওয়া খুবই সম্ভব। স্মার্টফোনের জনপ্রিয়তা যেমন কম্পিউটারের বাইরে ব্যক্তিগত ডিভাইসে সম্প্রসারিত হয়েছে, হ্যাকাররাও দৌরাত্মও সমান তালে বেড়েছে। সুতরাং, মোবাইল ম্যালওয়্যার. একটি প্রচলিত ভাইরাস যখন চলমান অবস্থায় কোন মোবাইলে প্রবেশ করে, মোবাইল ডিভাইসে ভাইরাসগুলি ডেটা-মাইনিং, আর্থিক তথ্য হাতিয়ে নেয়া বা একটি নেটওয়ার্ককে আক্রমণ করার জন্য আপনার অপারেটিং সিস্টেমের মধ্যে দুর্বল পয়েন্টগুলিকে টার্গেট করে।

ডেটা শেয়ার করার ফিচারগুলো সাধারণত অ্যাপ্লিকেশনগুলির মধ্যে দেয়াই থাকে, তবে কিছু কিছু অ্যাপ রয়েছে যারা মোবাইলে থাকা বৈধ অ্যাপগুলোর ডেটা শেয়ার ভুল পলিসিকে ব্যবহার করে তথ্য তৃতীয় পক্ষের কাছে পাচার করে নিতে পারে। এতে, টার্গেট মোবাইল ব্যবহারকারীরা এই ধরণের আক্রমণের জন্য ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে৷

আপনার ফোনে ভাইরাস থাকার ৮টি লক্ষণ

যদিও কিছু ভাইরাস আপনার ফোনের কার্যকারিতাকে সীমিত করবে, কিছু কিছুর ডেটা চুরি এবং অপসারণ বা অননুমোদিত কেনাকাটা করার জন্য চেষ্টা করে যায়। আপনার মোবাইল ভাইরাস আক্রান্ত হলে তার লক্ষন প্রকাশ পায় না, কারণ, এগুলো নিজেদের উপস্থিতি লুকিয়ে রাখার মত যথেষ্ট চতুরভাবে তৈরী করা হয়।

মোবাইলের কিছু কিছু অ্যাপের পারফরম্যান্স কমে যাওয়া, একটি ফোনে ভাইরাসের উপস্থিতির স্বাভাবিক লক্ষণ। যাইহোক, এই লক্ষণগুলি ক্ষতিকারক ম্যালওয়্যারের লক্ষণও হতে পারে। যদি খেয়াল করে থাকেন যে, আপনার ফোনে কর্মক্ষমতা কমে গেছে, অনতিবিলম্বে ভাইরাস অপসারণের চেষ্টা করে সমস্যা সমাধান করুন।

এই ৮টি লক্ষণ হল আপনার ফোনে ভাইরাস থাকতে পারে এমন ইঙ্গিত:

অত্যধিক ডেটা ব্যবহার

ভাইরাস আক্রান্ত ফোনে ভাইরাসটি ব্যাকগ্রাউন্ডে কাজ করতে থাকে, যা সামগ্রিকভাবে মোবাইল ডেটা ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করতে পারে।

মোবাইল বিল বৃদ্ধি

কিছু ধরণের ট্রোজান ভাইরাস আপনার ফোনের বিল ইন-অ্যাপ কেনাকাটা এবং প্রিমিয়াম অ্যাকাউন্টগুলিতে টেক্সট চার্জ দিয়ে চালাতে পারে, যা হ্যাকাররা পরে সংগ্রহ করতে পারে।

পপ-আপ

ওয়েব ব্রাউজ করার সময় কিছু পপ-আপ বিজ্ঞাপনের দেখা পাওয়া এখন নিত্যদিনের ঘটনা। কিন্তু, মোবাইলের ওয়েব ব্রাউজার বন্ধ থাকার পরও আপনি বর্ধিত পপ-আপের সম্মুখীন হন, তাহলে আপনি অ্যাডওয়্যারের সম্মুখীন হতে পারেন, যা এক ধরনের ম্যালওয়্যার। এগুলো লক্ষ্য হল আপনার মোবাইলের ডেটা-মাইনিং।

ব্যাটারির চার্জ দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া

সাধারণ সেল ব্যবহারের সময় যদি ম্যালওয়্যারের মতো কোনও ভাইরাস ব্যাকগ্রাউন্ডে চলছে, তাহলে আপনার ফোনের র‍্যামের বর্ধিত ব্যবহারে আপনি আপনার ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।

অচেনা অ্যাপস

আপনি যখন রহস্যজনকভাবে ডাউনলোড করা অ্যাপ দেখতে পান, তখন সেগুলি ধরে নিন, এটি ক্ষতিকারক ম্যালওয়্যার। ট্রোজান হর্স ভাইরাসগুলো বৈধ অ্যাপ্লিকেশনের সাথে নিজেদেরকে সংযুক্ত করতে পারে এবং মোবাইলের ক্ষতি করতে পারে।

অতিরিক্ত গরম হওয়া

ম্যালওয়্যার দ্রুত RAM এবং CPU গ্রাস করতে পারে, যা আপনার ফোনকে অতিরিক্ত গরম করতে পারে। যদিও আপনার ফোনটি মাঝে মাঝে অতিরিক্ত গরম হওয়া স্বাভাবিক হতে পারে, তবে মাঝে মাঝে এই সমস্যাটির দেখা পাওয়া বিপজ্জনক কিছু হওয়ার সংকেত হতে পারে।

স্প্যাম টেক্সট

ম্যালওয়্যারের একটি সাধারণ ফর্ম যা একটি সেল ফোনে পাওয়া যায়, তা হলে, সংবেদনশীল ডেটা সংগ্রহ করবে এবং বিপজ্জনক লিঙ্ক এবং সংযুক্তি সহ SMS পাঠিয়ে আপনার কন্টাক্টদেরকে সংক্রামিত করার চেষ্টা করবে।

মোবাইল ভাইরাসের প্রকারভেদ

সবচেয়ে সাধারণ মোবাইল ভাইরাস হল অ্যাডওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যার, স্পাইওয়্যার, ট্রোজান হর্স এবং ওয়ার্ম। যদিও ভাইরাস শব্দটি যে কোন ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির জন্য একটি ব্যাপকভাবে স্বীকৃত বাক্যাংশে পরিণত হয়েছে, একটি ভাইরাস আসলে ম্যালওয়্যারের একটি নির্দিষ্ট রূপ—মাত্র এক ধরনের প্রযুক্তি হুমকি।

বৈধ অ্যাপ্লিকেশন, ফেক ইমেল বা ইনফেকটেড অ্যাটাচমেন্টের (Infected attachment) সাথে ভাইরাস লুকিয়ে থাকতে পারে। হ্যাকাররা সনাক্তকরণ এড়াতে অপ্রত্যাশিত উপায়ে আপনার ডিভাইসে অনুপ্রবেশ করার জন্য তাদের নৈপুণ্যকে ফাইন-টিউন করতে থাকে।

Anatomy of a virus

অ্যাডওয়্যার (Adware)

যদিও কিছু পপ-আপ মার্কেটিং প্রচারের একটি স্বীকৃত মাধ্যম, কিন্তু, অতিরিক্ত পপ-আপ অ্যাডওয়্যারের একটি যন্ত্রনাদায়ক ব্যাপার। এর অ্যাডওয়্যারের খারাপ দিক হল, এটি আপনার ইন্টারনেট ব্যবহারের ধরণগুলো ট্র্যাক করতে পারে এবং ডেটা চুরি করতে আপনার ডিভাইসটিকে নিজের বশে নিয়ে যেতে পারে।

র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)

প্রথমে ডেস্কটপ কম্পিউটারে প্রদর্শিত, ransomware ব্যক্তিগত তথ্য এনক্রিপ্ট করে যাতে ব্যবহারকারী এটি অ্যাক্সেস করতে না পারে। এরপর ফাইল ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

স্পাইওয়্যার (Spyware)

স্পাইওয়্যার প্রায়ই আপাতদৃষ্টিতে বৈধ অ্যাপ্লিকেশনের সাথে সংযুক্ত থাকে। তারপরে এটি আপনার ডিভাইসে লোড হয় এবং আপনার কার্যকলাপ, অবস্থান, ব্যবহারকারীর নাম এবং পাসওয়ার্ডগুলি ট্র্যাক করে৷ প্রায়শই, আপনি এই বিপজ্জনক সফ্টওয়্যারটি আপনার ফোনে লোড করা লক্ষ্য করবেন না।

ট্রোজান হর্স (Trojan Horse)

আপনার সেল ফোনে একটি ট্রোজান হর্স সাধারণত একটি ক্ষুদে বার্তা হিসাবে উপস্থিত হবে। সেখান থেকে, তারা আপনার মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে প্রায়শই আপনার ফোনের বিল বাড়িয়ে দিতে পারে। অতি সম্প্রতি, একটি ব্যাঙ্কিং ট্রোজান অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসে অনুপ্রবেশ করেছে এবং ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য সম্পর্কিত বার্তাগুলি আটকে দিয়েছে৷

ওয়ার্ম (Worm)

এটি ক্ষুদে বার্তা দ্বারা ছড়িয়ে পড়া আরেকটি ভাইরাস, যা ব্যবহারকারীর ইন্টারঅ্যাকশনের প্রয়োজন হয় না, কিন্তু, মোবাইল ফোনের বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে। এটির প্রধান লক্ষ্য হল যতটা সম্ভব ডিভাইসে ছড়িয়ে দেওয়া যাতে হ্যাকাররা আপনার ফোনে ম্যালওয়্যার লোড করতে পারে এবং ডেটা চুরি করতে পারে।

কিভাবে iPhone কে ভাইরাস মুক্ত করবেন?

আইফোনের অপারেটিং সিস্টেমটি যথেষ্ট সুরক্ষিত সিস্টেম, কিন্তু, ভাইরাসগুলি নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে ভেদ করতে পারে, বিশেষ করে জেলব্রোকেন ফোনে। একটি আইফোন থেকে ভাইরাসকে মুক্ত করতে, আপনার ডেটা হিস্টোরি ক্লিন করা থেকে শুরু করুন৷ যদি সমস্যাটি থেকে যায়, একটি পুরানো ব্যাকআপ দিয়ে আপনার ফোন পুনরুদ্ধার করুন। আপনি যদি এখনও সন্দেহজনক কর্মক্ষমতা দেখতে পান, তাহলে ফোনটি ফ্যাক্টরি সেটিংসে রিসেট করুন। এটি করার ফলে বিদ্যমান ডেটা এবং পরবর্তী ভাইরাস মুছে যায়।

ধাপ ১: আপনার ব্রাউজিং ডেটা এবং হিস্টোরি ক্লিন করুন। Settings নির্বাচন করুন, আপনার প্রাথমিক ব্রাউজার চয়ন করুন, হিস্টোরি এবং ওয়েবসাইট ডেটা ক্লিন আলতো চাপুন।

Clear your browsing data and history

ধাপ ২: আপনার ফোনকে একটি ব্যাকআপ ভার্সনে রিস্টোর করুন। Settings নির্বাচন করুন, তারপরে অ্যাপল আইডি এবং iCloud নির্বাচন করুন। Manage Storage সিলেক্ট করুন, তারপর Backup নির্বাচন করুন। সাম্প্রতিকতম সময়ে নেয়া একটি ব্যাকআপ সিলেক্ট করুন এবং ডিভাইসটি রিস্টোর করুন৷

Restore your phone to a backup version

ধাপ ৩: ফ্যাক্টরি সেটিংসে রিসেট করুন। এই প্রক্রিয়াটি একেবারে শেষে অনুসরণ করা উচিত। আপনার Settings খুলুন, তারপর General নির্বাচন করুন। সেখান থেকে আপনি Reset পাবেন এবং Erase all content and settings নির্বাচন করবেন। আপনার ফোনটি ফ্যাক্টরি সেটিংসে রিসেট হয়ে যাবে।

Reset to factory settings

কিভাবে অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে ভাইরাস অপসারণ করবেন

ওপেন সোর্স কোডের কারণে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসগুলি ম্যালওয়্যার আক্রমণের জন্য বিশেষভাবে ঝুঁকিপূর্ণ। অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার হল আপনার অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসকে ভাইরাস থেকে রক্ষা করার সবচেয়ে “মন্দের ভাল” নিরাপত্তা ব্যবস্থা। অ্যান্ড্রয়েড থেকে ভাইরাস অপসারণ করতে, প্রথমে ডিভাইসটিকে Safe mode এ রিবুট করুন।

এরপরে Settings খুলুন এবং যে কোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ লক্ষ্য করতে সম্প্রতি ইনস্টল করা অ্যাপগুলির তালিকা দেখুন। যেকোনো সন্দেহজনক সফ্টওয়্যার আনইনস্টল করুন এবং Google-এর Play Protect চালু করুন। পর্যায়ক্রমে ডিভাইসের জন্য হুমকিসৃষ্টিকারী যে কোন ধরণের সন্দেহজনক অ্যাপ বা ফাইল স্ক্যান করুন এবং হুমকি দূর করতে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিন।

android-phone-malware-attacks

ধাপ ১: ক্যাশে (Cache) সাফ করুন। Apps and notifications নির্বাচন করুন, পরবর্তীতে ক্রোম (Chrome) খুঁজুন। এর স্টোরেজে যান এবং Clean cache নির্বাচন করুন।

Clear the cache.

ধাপ ২: ডিভাইসকে Safe mode এ বুট করুন। Power বাটন টিপুন এবং ধরে রাখুন। যখন ডায়ালগ বক্স প্রদর্শিত হবে, Safe mode এ রিবুট নির্বাচন করুন।

Boot the device in safe mode

ধাপ ৩: সন্দেহজনক অ্যাপ খুঁজুন। Settings খুলুন এবং Apps সিলেক্ট করুন। অ্যাপের তালিকা একে একে লক্ষ্য করুন, এতে কোন কোনো সন্দেহজনক অ্যাপ্লিকেশন রয়েছে কিনা। কোনো অ্যাপ্লিকেশনকে সন্দেহজনক মনে হলে, এর ইনফরমেশন পড়ে দেখুন এবং আনইনস্টল করুন।

Find the suspicious app

ধাপ ৪: Play protect কে চালু রাখুন। যদিও অ্যান্টিভাইরাস হল আপনার অ্যান্ড্রয়েডকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার সবচেয়ে নিরাপদ উপায়, Play Protect হল একটি বিল্টইন সফ্টওয়্যার যা মোবাইলের অ্যাপগুলোকে আরেকটা লেভেলের সিকিউরিটি সুরক্ষা দিতে পারে। এটি চালু করতে, Play store অ্যাপটি বেছে নিন। উপরের বাম কোণে মেনু খুলুন। নিরাপত্তা হুমকির জন্য আপনার ডিভাইস স্ক্যান করার অপশনটি চালু করুন।

Enable play protect

কিভাবে ফোন ভাইরাস থেকে নিজেকে রক্ষা করবেন

ফোন ফাইরাস থেকে প্রতিরক্ষার প্রথম ডিফেন্স লাইন হিসাবে আপনার ফোনকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করতে অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ব্যবহার করুন৷ নতুন অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করার সময় সতর্ক থাকুন। যে অ্যাপ ইন্সটল করছেন, তার ব্যাপারে ডকুমেন্টেশন আগে পড়ে নিন এবং ব্যক্তিগত ডেটাতে অ্যাক্সেস নির্দেশ করতে পারে এমন যেকোনো শব্দের জন্য শর্তাবলীও পড়ে নিতে ভুলবেন না। নিয়মিতভাবে আপনার ফোনের ব্যাকআপ রাখুন যাতে কোনো ভাইরাস আপনার ডিভাইসে অনুপ্রবেশ করলে আপনি আগের ব্যাকআপে ফিরে যেতে পারেন।

  • শুধুমাত্র যাচাইকৃত অ্যাপ ডাউনলোড করুন: তৃতীয় পক্ষের অ্যাপ স্টোর এড়িয়ে চলুন। এটি করা বৈধ সফ্টওয়্যার হিসাবে বিপজ্জনক অ্যাপগুলি ইনস্টল করার ঝুঁকি হ্রাস করে৷
  • নিরাপদ ওয়াইফাই ব্যবহার করুন: সর্বদা সুরক্ষিত ওয়াইফাই বা একটি ভিপিএন ব্যবহার করুন। এটি তৃতীয় পক্ষের হ্যাকারদের আপনার ফোন থেকে তাদের সার্ভারের ডাটা আদান-প্রদানকে বাধা দিতে বাধা দেয়।
  • অ্যাপ কি কি পারমিশনে অ্যাক্সেস নিচ্ছে, তা পরীক্ষা করুন: একটি অপরিচিত অ্যাপ ডাউনলোড করার আগে শর্তাবলী পড়ুন। যেকোন শব্দচয়ন লক্ষ্য করুন যা বোঝায় যে অ্যাপটি ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করতে বা নোটিফিকেশন ছাড়াই Terms and Conditions পরিবর্তন করতে সক্ষম হতে পারে।
  • অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ইনস্টল করুন: অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার মোবাইল ম্যালওয়্যার বিরুদ্ধে প্রতিরক্ষার সেরা লাইন। সফ্টওয়্যারটি নিয়মিত চালান এবং সনাক্ত করা কোনও হুমকি ডিলিট করে ফেলুন।
  • আপনার OS আপডেট করুন: অপারেটিং সিস্টেম আপডেটগুলি প্রায়শই এর আগের সংস্করণগুলিতে পাওয়া বাগগুলি দূর করে ফোনকে অধিকতর সিকিউরিট প্রদান করে।
  • সন্দেহজনক বার্তা খুলবেন না: ম্যালওয়্যার ইমেল সংযুক্তি, ক্ষুদে বার্তা এবং লিঙ্কের আকারে আসতে পারে। অপরিচিত লিঙ্ক বা বার্তাগুলিতে ক্লিক করবেন না, কারণ সেগুলি ফিশিং সাইটের প্রবেশদ্বার হতে পারে।
  • আপনার ফোনকে জেলব্রেক করবেন না: iOS যখন সিকিউরিটি সুসংহত করে, তখন রুট থাকা আপনার অপারেটিং সিস্টেমে প্রয়োজনীয় আপডেট এবং প্যাচগুলিকে নিয়মিত আপডেট করে রাখে। আপনি যখন আপনার ফোন জেলব্রেক করেন, তখন আপনি পূর্ববর্তী সংস্করণগুলিতে পাওয়া সিকিউরিটি দূর্বলতা এবং ওপেন-সোর্স কোডের বিপদ হতে পারে।

সেল ফোনে কিছু ভাইরাস সক্রিয় না হওয়া পর্যন্ত সুপ্ত থাকে। এদের একটা লক্ষ্য থাকে। তা হল, মোবাইল ব্যবহারকারী যতদূর সম্ভব ডেটাকে পাচার করে দেয়া। একটি অ্যান্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার সাইবার আক্রমণ থেকে আপনার মোবাইল ডিভাইসগুলিকে রক্ষা করতে পারে৷ আপনার ডিভাইসে নতুন সফ্টওয়্যার ডাউনলোড করার সময় সতর্ক থাকুন, এবং কর্মক্ষেত্রে মোবাইল ম্যালওয়্যারের লক্ষণগুলির সাথে যুক্ত হতে পারে এমন পারফরম্যান্সজনিত সমস্যাগুলি বুঝুন৷

সূত্র: পান্ডাসিকিউরিটি

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.