কাবা ঘর (Kaaba) সম্পর্কে অজানা তথ্য

HelloBanglaWorld - Know Everything in Banglaইসলামকাবা ঘর (Kaaba) সম্পর্কে অজানা তথ্য

সারা পৃথিবীতে মক্কার মত এত সম্মানিত শহর আর একটিও নাই। যে কোন দিক দিয়েই বিচার করেন না কেন, আরবের হিজায (Hijaz region) নামক এই অঞ্চলটির কথা মনে পড়লে সকল মুসলিমের মন শ্রদ্ধা ও ভক্তিতে আপ্লুত হয়ে পড়ে। এই অঞ্চলেই কাবা ঘর (Kaaba) অবস্থিত।

হাজার হাজার লোক পবিত্র কাবা ঘরকে কেন্দ্র করে ২৪ ঘন্টা প্রদক্ষিণ করছে। লাখ লাখ মুসলিমের ঘর ও মসজিদে এই ঘরের ছবি শ্রদ্ধাভরে ঝুলিয়ে রাখা হয় এবং পৃথিবীর কোটি কোটি মুসলিম এই ঘরকে কিবলা ধরে ৫ বার সালাত আদায় করেন।

পৃথিবীতে মহান রাব্বুল আলামীনের অনন্য নিদর্শন পবিত্র কাবা শরিফ। ভৌগোলিকভাবে গোলাকার পৃথিবীর মধ্যস্থলে বরকতময় পবিত্র কাবার অবস্থান – এটাও অনেকের জন্য আশ্চর্যজনক বিষয়। সৃষ্টির আদিকাল থেকেই আল্লাহ পবিত্র কাবা শরিফকে তার মনোনীত বান্দাদের মিলনমেলাস্থল হিসেবে কবুল করেছেন।

কাবা ঘরকে বহুবার সংস্কার করা হয়েছে

Renovation work of Kaaba
Renovation work of Kaaba

হযরত ইবরাহীম (আ) ও হযরত ইসমাইল (আ) যে কাবা ঘর সর্বপ্রথম নির্মাণ করেছিলেন সেটি বর্তমানে যে কাবা ঘরকে আমরা দেখি – এটি সেই আদি কাবা নয়। নির্মাণের পর থেকে সময়ের পরিক্রমায়, প্রাকৃতিক ও মানুষসৃষ্ট দূর্যোগের কারণে কাবা ঘর ক্ষতিগ্রস্ত হলে বার বার এটির সংস্কার কাজ করতে হয়।

শেষ নবী হজরত মুহাম্মাদ (সা.) ও কাবা ঘর পূবঃনির্মাণে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

সর্বাধিক নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক তথ্য মতে, কাবাকে এ পর্যন্ত ১২ বার পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। বিভিন্ন বিপর্যয়ের হাত থেকে সংরক্ষণ করতে কাবা শরিফকে সর্বশেষ ১৯৯৬ সালে আধুনিক ও শক্তিশালী প্রযুক্তির প্রয়োগে সংস্কার করা হয়। কাবা পুনঃসংস্কারের সঙ্গে সঙ্গে ১৯৯৬ সালে হাতিমে কাবাও পুনঃনির্মাণ করা হয়।

কাবা ঘরের ২টি দরজা ও ১টি জানালা

মূল কাবা শরিফে দুটি দরজা অন্তর্ভূক্ত ছিল। এছাড়াও পবিত্র কাবা শরিফের দেয়ালে একটি জানালাও ছিল। একটি দরজা ছিল প্রবেশের জন্য অন্যটি বাহির হওয়ার জন্য।

বর্তমানে পবিত্র কাবা শরিফে রয়েছে একটি মাত্র দরজা এবং কোনো জানালা নেই, যদিও কাবা শরিফের ছাদে ওঠার জন্য ভিতরে একটি দরজা রয়েছে।

কাবার গিলাফের রং ছিল সবুজ, লাল ও সাদা। কালো হল কিভাবে?

‘কিসওয়া’ হলো কালো রংয়ের কাপড়। যা দ্বারা কাবা শরিফকে ঢেকে দেয়া হয়। কিন্তু অনেকেরই জানা নেই যে এ কিসওয়া বা গিলাফ সবসময় কালো ছিল না।

আরও পড়ুন:  মুসলিমদের জন্য ফিতরা ওয়াজিব করা হয়েছে

প্রথমদিকে জরহাম গোত্রের শাসনামলে তাদের নিয়মানুযায়ী কিসওয়া দ্বারা কাবা শরিফের আচ্ছাদন সর্বপ্রথম শুরু হয়।

পরবর্তীতে প্রিয়নবী (সা.) ইয়েমেনি সাদা কাপড় দিয়ে পবিত্র কাবাকে ঢেকে দেন। বিভিন্ন খলিফাদের আমলে লাল, সাদা, সবুজ রঙের কিসওয়াও ব্যবহার করা হতো। আব্বাসীয় খলিফাদের আমলে পবিত্র কাবার কিসওয়া হিসেবে বিভিন্ন রঙের ব্যবহার বন্ধ করে কালো রঙের কিসওয়া ব্যবহারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। তখন থেকেই কিসওয়ার জন্য কালো রঙটি ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

কাবার চাবি রয়েছে বনি তালহা পরিবারের কাছে

Bani Talha family keeps the key of Kabba
Bani Talha family keeps the key of Kabba

হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর সময়ে কাবা ঘরকে ঘিরে যে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কুরাইশ ও বিভিন্ন গোত্রের নেতাদের যৌথ সম্মতিতে নেয়া হত। যৌথ অভিভাবকত্বের পরিবর্তে পরবর্তীতে একটি গোত্রের হাতে কাবার রক্ষনাবেক্ষন অভিভাবকত্ব তুলে দেয়া হয়।

মক্কা বিজয়ের পর হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর হাতে কাবার চাবি হস্তান্তর করা হয়। নিজে এই চাবি নিজের কাছে না রেখে বানি শাইবা গোত্রের (Bani Shaiba family) ওসমান ইবনে তালহা (রা.) (Osman ibn Talha (R)) এর হাতে তুলে দেন। শতাব্দীর পর শতাব্দী কাবার এই দায়িত্ব তাদের হাতে রয়েছে। কিয়ামতের পূর্ব পর্যন্ত এই দায়িত্ব তাদের হাতে অপরিবর্তিত রাখার কথা বলে গেছেন নবীজী (সা.)।

“Take it, O Bani Talha, eternally up to the Day of Resurrection, and it will not be taken from you unless by an unjust, oppressive tyrant.”

হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেন,

প্রাক ইসলামি যুগ থেকে এখন পর্যন্ত কাবা শরিফের চাবি একটি পরিবারের কাছেই রয়েছে।

সম্মানিত সকল খলিফাসহ পৃথিবীতে এ পর্যন্ত যত সুলতান বা রাজা-বাদশা এসেছেন, তারা সকলেই হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদেশের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। কাবা ঘরের প্রবেশের পূর্বে মক্কার এই ছোট পরিবারের কাছে পূর্বানুমতি নিয়ে কাবা ঘরে প্রবেশ করেছেন সবাই।

কাবার দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত!

একটা সময়ে পবিত্র কাবা শরিফের দরজা সবার জন্য উন্মুক্ত ছিল। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ এ পবিত্র ঘরে প্রবেশ করে ইবাদাত-বন্দেগিও করতেন। হজের সময় তীর্থযাত্রীরা ইচ্ছা করলে এতে প্রবেশ করতে পারতেন।

কিন্তু হাজিদের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ ঘরের নিরাপত্তা রক্ষার্থে এই ঘরে প্রবেশাধিকার সংরক্ষিত করা হয়েছে। এখন কেউ ইচ্ছা করলেও অভ্যন্তরে যেতে পারে না। এটা এখন মাঝে মাঝে বিশেষ বিশেষ মেহমানদের জন্য খোলা হয়।

এই ভিডিওতে ১২ঃ২০ মিনেটের টাইমলাইনে কাবা ঘরের ভিতরের দৃশ্য দেখানো হয়েছে।

তাওয়াফ

পবিত্র কাবা শরিফ সম্পর্কে অবিশ্বাস্য হলেও চিরন্তন সত্য যে, এর চারদিকে ঘোরা অর্থাৎ তাওয়াফ কখনো বন্ধ হয় না।

তবে হ্যাঁ, নামাজের সময় যখন মুয়াজ্জিন জামাতের জন্য ইক্বামাত দেন ঠিক নামাজের সময় তাওয়াফকালীন অবস্থায় যে যেখানে থাকে সেখানে দাঁড়িয়েই নামাজে অংশগ্রহণ করে। নামাজের সালাম ফিরানোর সঙ্গে সঙ্গে আবার তাওয়াফ শুরু হয়ে যায়।

আরও পড়ুন:  জাপানি ভাষায় কোরআনের প্রথম মুসলিম অনুবাদক

শুধু তাই নয়, যখন বন্যার কারণে পানিতে তাওয়াফ চত্ত্বর তলিয়ে গিয়েছিল তখনো মানুষ সাঁতার কেটে পবিত্র কাবা শরিফ তাওয়াফ করতো।

কাবা ঘরের ভিতরে কি রয়েছে?

এই প্রশ্ন অনেকেরই। পবিত্র কাবা শরিফের ভেতরে ভিত্তি মজবুতে তিনটি পিলার রয়েছে; যেগুলোর প্রত্যেকটি লিন্টারের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। পারফিউম ব্যবহারের জন্য পিলারের মধ্যে একটি ছোট বাক্স আকৃতির টেবিল রয়েছে। তিনটি খুঁটি বা স্তম্ভে ঝুলে আছে বিভিন্ন ডিজাইনের প্রদীপমালা।

পবিত্র কোরআনের আয়াতের কারুকার্যখচিত সবুজ কাপড় কাবা শরিফের দেয়ালের ওপরের অংশে জুড়ে রয়েছে। পাশের দেয়ালে একটি স্বর্ণনির্মিত দরজা রয়েছে যেটাকে ‘বাব আল তাওবা’ বলে ডাকা হয়। যেটি ছাদের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষায় ব্যবহৃত হয়।

হাজরে আসওয়াদ (Hajar Al-Aswad)

হাজরে আসওয়াদ (Hajar Al-Aswad)
হাজরে আসওয়াদ (Hajar Al-Aswad)

পবিত্র কাবা শরিফের এক কোণে সংযুক্ত ‘হাজরে আসওয়াদ’ কালো পাথরটি আগে আকারে বড় ছিল। বর্তমানে এ পাথরটি ভেঙে ৮ টুকরায় বিভিন্ন সাইজে বিভক্ত। যা একটি সিলভার রংয়ের ফ্রেমে একত্র করে কাবা শরিফের পূর্ব-দক্ষিণ কোণে লাগানো।

পাথরটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ তথা বন্যাসহ অনেকবার চুরি ও জালিয়াতির চেষ্টার কারণে অনাকাঙ্খিতভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। হাজরে আসওয়াদের প্রথম সিলভার ফ্রেমটি তৈরি করেছিলেন আবদুল্লাহ বিন জুবাইর।

বার্ষিক পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম

বছরে দুই বার এর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করা হয়। প্রথমবার করা হয় শাবান মাসে আর দ্বিতীয় বার করা হয় জিলকদ মাসে। এ পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম বনু তালহা তথা আলশিবি পরিবারের লোকেরাই করে থাকেন।

পবিত্র জমজমের পানি, তায়েফ গোলাপ জল এবং বহু মূল্যবান ‘ঊড’ তৈল দিয়ে একটি পরিষ্কার মিশ্রণ তৈরি করে তা দিয়েই পবিত্র কাবা শরিফ পরিষ্কার করা হয়। পবিত্র নগরী মক্কার গভর্নর এ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে গণ্যমান্য ব্যক্তিদেরকে আমন্ত্রণ জানান।

আকৃতি পরিবর্তন

নবী ইব্রাহিমের (আ.) আমল থেকেই মূলত পবিত্র কাবা শরিফ আয়তক্ষেত্র আকৃতির ছিল। ইসলামের আগমনের পূর্বে কুরাইশরা যখন পবিত্র কাবাকে পুনঃনির্মাণ করে তখন তহবিলের অভাবে পবিত্র কাবা শরিফের পুরো কাজ সম্পন্ন করতে পারেনি তারা। যে স্থানটি তখন নির্মাণ করতে পারেনি সেই স্থানটিকে বলা হয় ‘হাতিমে কাবা’। এটি কাবারই অংশ। এ কারণে হাতিমে কাবাকে তাওয়াফে অন্তর্ভূক্ত করতে হয়। যা একটি ছোট্ট গোলাকার প্রাচীর দ্বারা চিহ্নিত।

কাবা ঘর একটি নয়, দুইটি!

পৃথিবীর কাবা ঘরের ঠিক উপরেই জান্নাতে কাবা ঘরের আরেকটি প্রতিরূপ রয়েছে। পবিত্র কুরআন শরীফ ও হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর হাদীসে এর উল্লেখ রয়েছে।

মিরাজের ঘটনা বর্ণনা করার সময় নবীজি (সা.) বলেন,

“Then I was shown Al-Bait-al-Ma’mur (i.e. Allah’s House). I asked Gabriel about it and he said, This is Al Bait-ul-Ma’mur where 70,000 angels perform prayers daily and when they leave they never return to it (but always a fresh batch comes into it daily).”

অর্থাৎ, “এরপর আমাকে আল-বাইত-আল-মা’মুর (অর্থঃ আল্লাহ’র ঘর) দেখানো হয়। আমি জিব্রাইল (আ.) কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম, তিনি বলেন, এটি আল-বাইত-আল-মা’মুর। ৭০,০০০ পবিত্র ফেরেস্তাগণ প্রতিদিন এই ঘরকে ঘিরে প্রদক্ষন করেন; একবার প্রদক্ষিণ করার পর তারা আর এখানে ফিরে আসেন না অর্থাৎ প্রতিদিন ফেরেস্তাদের নতুন দল তাওয়াফ করতে আসেন”।

পবিত্র কাবা ঘরকে ঘিরে নবী-রাসূলদের যে সব দোয়া কবুল হয়েছে

বেহেশত থেকে দুনিয়ায় পাঠানোর পর আদি মানব-মানবী হজরত আদম (আ.) ও হজরত হাওয়া (আ.) ইবাদতের জন্য একটি মসজিদ প্রার্থনা করেন। আল্লাহতায়ালা তাদের দোয়া কবুল করে কাবাগৃহকে ইবাদতের কেন্দ্র হিসেবে নির্ধারণ করে দেন।

আরও পড়ুন:  যাকাত পাওয়ার উপযুক্ত কারা কারা?

এরপর হজরত নূহ (আ.)-এর যুগের মহাপ্লাবনে কাবা শরিফ ধসে যায়। পরে আল্লাহর হুকুমে হজরত ইবরাহিম (আ.) তার পুত্র হজরত ইসমাইল (আ.)-কে সঙ্গে নিয়ে কাবাগৃহের পুনর্নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করেন।

পবিত্র কোরআনে কারিমে ওই ঘটনাটি খুবই চিত্তাকর্ষক ভঙ্গিতে উপস্থাপন করা হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে,

‘স্মরণ করো, যখন ইবরাহিম ও ইসমাঈল কাবাগৃহের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। তারা দোয়া করেছিল, হে পরওয়ারদেগার! আমাদের এ আমলটুকু কবুল করো। নিশ্চয়ই তুমি শ্রবণকারী, সর্বজ্ঞ। ওহে পরওয়ারদেগার! আমাদের উভয়কে তোমার আজ্ঞাবহ করো এবং আমাদের বংশধর থেকে একটি অনুগত জাতি সৃষ্টি কর। আমাদের হজের রীতিনীতি বলে দাও এবং আমাদের ক্ষমা করো। নিশ্চয়ই তুমি তওবা কবুলকারী, দয়ালু। হে আমাদের প্রভু! এ ঘরের পড়শিদের মধ্য থেকে একজন রাসূল পাঠাও, যিনি তাদের কাছে তোমার আয়াতগুলো পাঠ করবেন। তাদের কিতাব ও হেকমত শিক্ষা দেবেন এবং তাদের পবিত্র করবেন। নিশ্চয়ই তুমি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময়।’

সূরা বাকারা : ১২৭-১২৯

হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর প্রত্যেকটি দোয়া কবুল হয়েছে। ইতিহাসে আছে, তার বংশধরের মধ্যে সর্বদা একটি দল আল্লাহর আজ্ঞাবহ ছিল। এমনকি জাহেলিয়াতের আমলে আরবের সর্বত্র যখন মূর্তি-পূজার জয়জয়কার ছিল তখনও ইবরাহিমি বংশের কিছু লোক একত্ববাদ ও পরকালে বিশ্বাসী এবং আল্লাহতায়ালার আনুগত্যশীল ছিলেন।

হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর প্রত্যেকটি দোয়া কবুল হয়েছে। ইতিহাসে আছে, তার বংশধরের মধ্যে সর্বদা একটি দল আল্লাহর আজ্ঞাবহ ছিল। এমনকি জাহেলিয়াতের আমলে আরবের সর্বত্র যখন মূর্তি-পূজার জয়জয়কার ছিল তখনও ইবরাহিমি বংশের কিছু লোক একত্ববাদ ও পরকালে বিশ্বাসী এবং আল্লাহতায়ালার আনুগত্যশীল ছিলেন।

হজরত ইবরাহিম (আ.) কর্তৃক বায়তুল্লাহ নির্মিত হওয়ার পর থেকে সব যুগেই তার জিয়ারতও অব্যাহত ছিল। শেষ নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) হজরত ইবরাহিম (আ.)-এর সে দোয়ারই ফসল, যা তিনি বায়তুল্লাহ নির্মাণকালে করেছিলেন।

ইসলামের ইতিহাসে ৬৩১ খ্রিস্টাব্দে নবম হিজরিতে হজের বিধান ফরজ হয়। পরের বছরে ৬৩২ খ্রিস্টাব্দে মহানবী (সা.) হজ আদায় করেন। তিনি যেখানে, যে সময়ে, যে তারিখে, যে নিয়মে যেসব আহকাম-আরকান পালন করেন, প্রতিবছর ৮ থেকে ১৩ জিলহজ মক্কা মুকাররমা এবং এর আশপাশের এলাকাজুড়ে নির্দিষ্ট নিয়মে সেভাবেই পবিত্র হজ পালিত হয়ে আসছে।

ক্যাটাগরিঃ ইসলাম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.