প্রতিবেশী করোনায় আক্রান্ত হলে কি করবেন, কি করবেন না

HelloBanglaWorld - Know Everything in Banglaস্বাস্থ্যপ্রতিবেশী করোনায় আক্রান্ত হলে কি করবেন, কি করবেন না

করোনা সংক্রামক রোগ হওয়ায় অনেকেই এ রোগে আক্রান্তদের সঙ্গে অমানবিক ব্যবহার করছেন। রোগটি নিয়ে সবাই এতটাই আতঙ্কিত হয়ে আছেন যে রাস্তায় কেউ অসুস্থ পড়ে থাকলেও ভয়ে কোনো মানুষ তার কাছে যাচ্ছেন না। করোনা আক্রান্তদের সঙ্গে প্রতিবেশীরা খারাপ ব্যবহার করছেন। অথচ বিপদের দিনে প্রতিবেশীরাই সবচেয়ে কাছের স্বজন বলে পরিচিত।

এটা সবার মনে রাখা উচিত, এ পরিস্থিতিতে কাল আপনিও পড়তে পারেন। তাই নিজের নিরাপত্তা বজায় রেখে যতটা সম্ভব এ সময় আক্রান্ত প্রতিবেশীর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়া উচিত।

এ পরিস্থিতিতে করোনা আক্রান্ত প্রতিবেশীর সঙ্গে কি করা উচিত আর কি করা উচিত না সে বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।


প্রথমেই যাচাই করুন

১. প্রথমেই যাচাই করে নিন তিনি সত্যিই করোনা আক্রান্ত কিনা অথবা তার সর্দি, জ্বর বা শ্বাসকষ্টের মতো কোনো উপসর্গ আছে কিনা। প্রতিবেশীদের কারও এরকম সমস্যা থাকলে তার পরিবারের সদস্যরাই হযতো আক্রান্তকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে চাইবেন। যদি কেউ আপনার সাহায্য চান, তাহলে তাকে সাহায্য করুন। প্রয়োজনে অ্যাম্বুল্যান্স ডেকে দিন বা জরুরি নাম্বারগুলোতে ফোন করে রোগীর খবর জানান।

ঘরে থাকতে অনুরোধ করুন

২. করোনা আক্রান্ত প্রতিবেশীর বাড়ির অন্য সদস্যদের ঘরেই থাকার অনুরোধ করুন। প্রয়োজনে স্থানীয় প্রশাসনের সাহায্য নিন।

বাইরে না যেতে অনুরোধ করুন

৩. আক্রান্তের পরিবারকে বাইরে না যেতে অনুরোধ করুন। তাদের প্রতিদিনের খাবার বা ওষুধের প্রয়োজন হতে পারে। এ কারণে ফোনে তাদের নিয়মিত খোঁজ নিন। প্রয়োজনে খাবার বা ওষুধ কিনে তার দরাজার বাইরে রেখে আসুন।

সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে

৪.পাশাপাশি দরজা থাকলে দরজার হাতল বা নবে হাত দিলে হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নেবেন। নিজের বাড়ির দরজা নিয়ম করে জীবাণুমুক্ত করা উচিত। নব বা হাতল সাবান পানি দিয়ে পরিষ্কার করে নিতে হবে।

সিঁড়ি, লিফট জীবানুমুক্ত

৫. একই অ্যাপার্টমেন্টে থাকলে নিয়মিত সিঁড়ি, লিফট জীবাণুমুক্ত করা উচিত।

অন্যদের উপসর্গ দেখা যায় কিনা, খেয়াল

৬. প্রতিবেশীর বাড়ির অন্যদের মধ্যে উপসর্গ দেখা যাচ্ছে কিনা নিয়মিত ফোনে খবর রাখুন।

৭. মুখোমুখি বা পাশাপাশি জানালা থাকলে তা বন্ধ করে রাখাই ভালো।

৮. বাড়িতে থাকলে খাবার আগে তো বটেই, মুখে চোখে হাত দেওয়ার আগেও হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে নেওয়া আবশ্যক।

রোগীকে আলাদা ঘরে রাখুন

৯. রোগী বা তার পরিবার যেন এক ঘরে না থাকে সে ব্যাপারে খোঁজ রাখুন।

রোগীর মানসিক অবস্থা ভাল রাখুন

১০. আক্রান্ত পরিবার এমনিতে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়ে। এ কারণে তাদের সঙ্গে অমানবিকেআচরণ করবেন না। নিজেদের নিরাপত্তা বজায় রেখে যথাসম্ভব তাদেরকে সহযোগিতা করুন।


সূত্র: আনন্দবাজার

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.