স্বীকার করতে দোষ নেই, সব পুরুষই জানতে চায় যে, নারীরা কী চায়! সৌভাগ্যবশত, একই কৌতুহল কিছু বিজ্ঞানীদেরকেও ভাবিয়ে তোলে। ফলসরূপ, আমরা পেয়েছি কিছু নির্ভরযোগ্য উত্তর।
উল্লেখ্য যে, এই ধরণের বৈজ্ঞানিক সমীক্ষা স্বল্প পরিসরে হয়ে থাকে, যাতে কোনো পরীক্ষাগারের আড়ম্বরপূর্ণ পরিবেশে অংশগ্রহণকারীদের নিজস্ব মন্তব্যসমূহকেই পরিসংখ্যানের তথ্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়। এজন্য স্বাভাবিকভাবেই, এই বৈশিষ্ট্যগুলির সাথে বাস্তবিক পরিসরে ক্ষাণিকটা তারতম্য ঘটতেও পারে। তাছাড়া, অংশগ্রহণকারীদের অধিকাংশই পশ্চিমা কলেজের শিক্ষার্থীদের নিয়ে।
তারপরও, নাই মামার চেয়ে কানা মামাই সই! ঠিক কি না?
>
চলুন তবে, দেরী না করে নজর বুলিয়ে নিই সেই ১১টি বিশেষ বৈশিষ্ট্যের দিকে, যেগুলো নারীদের আকৃষ্ট করে।
সুদর্শন হওয়া একটা বড় প্রভাবক বলে ধরে নেয়া হলেও তা অতটাও গুরুত্বপূর্ণ নয়। নারীরা অপেক্ষাকৃত সুদর্শন পুরুষ পছন্দ করে স্বল্পকালীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে। দীর্ঘকালীন সম্পর্কের ক্ষেত্রে কেবল ভালো দেখতে হওয়াটাই যথেষ্ট নয়।

পুরুষের ভালো সেন্স অফ হিউমার থাকাটা নারীদের পছন্দনীয়। গবেষণালব্ধ ফল অনুযায়ী, ভালো সেন্স অফ হিউমার থাকা পুরুষদেরকে নারীরা অপেক্ষাকৃতভাবে অধিক বুদ্ধিদীপ্ত হিসেবে বিবেচনা করা থাকে।

দীর্ঘমেয়াদী সম্পর্কের ক্ষেত্রে, পুরুষের পরার্থপর, দয়ালু এবং কল্যাণকর কাজ নারীরা গুণ হিসেবে প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, দামী গাড়ি বা আলিসান এ্যাপার্টমেন্টের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা পুরুষের ছবিকে; সাধারণের পরিবেশে তোলা ছবির তুলনায় বেশি পছন্দ করা হয়েছে। কেননা, এতে অবচেতনভাবেই সেই পুরুষকে বিত্তশালী বলে ধারণা করা হয়।

নারীরা তাদের চেয়ে প্রবীন পুরুষকে প্রাধান্য দেয়। কেননা, এ ধরণের সঙ্গী অধিক পুঁজি, সম্পদ এবং সাহায্য সম্ভাবনা তৈরির সময় পেয়ে থাকে।

পুরুষের মুখমন্ডলে দাঁড়ি-মোচ থাকাটা কিছু জরিপে যেমন একাধারে আকৃষ্টকারী বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। তেমনি, কিছু জরিপে তা অপছন্দনীয় হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। তাই, নিজের দাঁড়ি-গোঁফ নিজের পছন্দমতই রাখুন। দেখবেন তা ঠিকই সেই সঠিক সঙ্গীকেই আকৃষ্ট করছে।

একটি স্পিড-ডেটিং গবেষণায় দেখা গিয়েছে মনোযোগী পুরুষের প্রতি নারীরা অধিক আকৃষ্ট হয়েছে। অর্থাৎ, যে সকল পুরুষ সচেতন, সজাগ এবং সবকিছুতে চট করে রায় প্রদান করে না তাদেরকে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়েছে।

একটি স্বল্প পরিসরে চালানো জরিপের ফলে দেখা যায় যে, কুকুরপ্রিয় পুরুষেরা নারীদের সাথে অপেক্ষাকৃত ভালো সম্পর্কে থাকতে পেরেছে।

Sources: Journal of The Interactions of People & Animals, Journal of Evolutionary Psychology
এক সংক্ষিপ্ত ডেটিং জরিপে দেখা যায়, নারীরা ঐ সকল পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হয় যারা তাদের প্রতি যত্নশীল – প্রয়োজনে কাছে পাওয়া যায়, তাদের প্রতি মনোযোগী এবং যারা তাদের প্রতি বিষয়কে নিক্তিতে মেপে দেখে না।

একটি সমীক্ষা অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী নারীরা লাল রঙের পোশাক পরিহিত পুরুষদেরকে অপেক্ষাকৃত বেশি পছন্দ করেছে।

নারীরা বীরত্বপূর্ণ এবং ঝুঁকিপূর্ণ কর্মকান্ডে জড়িত পুরুষদেরকে অপেক্ষাকৃত বেশি পছন্দ করে। মানুষের জীবন বাঁচানো, শিকার করা বা আগুন নিয়ে খেলা করার মত কাজগুলো এই তালিকার অন্তর্গত।

পড়ার মত আরও আছে
- যে ১০টি অভ্যাসের কারণে জাপানীরা বেশী দিন বাঁচেন
- দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করলে কি কি বিপদে পড়তে যাচ্ছেন!
- গ্রিন টি খাওয়া একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস
>
