অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সাথে Bluetooth Keyboard ব্যবহার করবেন যেভাবে

HelloBanglaWorld - Know Everything in Banglaটিপস ও ট্রিক্সঅ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সাথে Bluetooth Keyboard ব্যবহার করবেন যেভাবে
Advertisements

দিন-দিন প্রযুক্তির উন্নতির ফলে পারসোনাল কম্পিউটারগুলোর (Personal Computer, PC) কম্পিউটিং পাওয়ার দ্রুত হচ্ছে, ছোট হয়ে আসছে তাদের আকার। কিন্তু, পিসিকে সাথে বহন করা অসুবিধাজনক হওয়াতে তার স্থান দখল করছে ল্যাপটপ। ইদানীং ল্যাপটপের জায়গা দ্রুত দখলে নিচ্ছে ট্যাবলেট (Tablet), সংক্ষেপে ট্যাব। এন্টারপ্রেনার থেকে অফিস এক্সিকিউটিভ – সকলেই ট্যাবলেটকে পেয়েছেন প্রোডাকটিভি বুস্টার হিসাবে।

স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব (Samsung Galaxy Tab), আইপ্যাড প্রো (iPad Pro), বা মাইক্রোসফট সারফেস (Microsoft Surface) এর মত ট্যাবলেটগুলো দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে এ কারণে। অ্যান্ড্রয়েডের ব্যবহারকারী হিসাবে আপনিও চাইবেন এমন একটি ডিভাইসকে আপনার প্রতিদিনের গ্রোথ কম্প্যানিয়ন (Growth Companion) হিসাবে ব্যবহার করতে।

অ্যান্ড্রয়েড ট্যাবের সাথে একটি সহজে ব্যবহারযোগ্য ও ছোট সাইজের ব্লু-টুথ কিবোর্ড ব্যবহার করে আপনার কাজের গতি তথা প্রোডাকটিভিটকে নিয়ে যেতে পারেন আরও এক বা একাধিক লেভেল উপরে।

চলুন দেখে নিই, কিভাবে ব্লু-টুথ কিবোর্ডকে অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের সাথে কানেক্ট করা যায় এবং একে কি কি কাজে লাগানো যেতে পারে।

কিভাবে ডিভাইসের সাথে কিবোর্ড সংযোগ ঘটানো যায়?

অ্যান্ড্রয়েডের সাথে ব্লু-টুথ কিবোর্ড সেটআপ করা খুবই সহজ। বলাই বাহুল্য, আপনার আগে থেকে একটি ব্লু-টুথ কিবোর্ড এবং একটা অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইস থাকা লাগবে। আমি Logitech Keys-to-Go ব্লু-টুথ কিবোর্ড ব্যবহার করছি।

অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের Bluetooth কানেক্টিভিটি অন করে দিব। Bluetooth অন করতে Settings > Bluetooth যান এবং “On” লেখা বাটনে ট্যাপ করুন। এবার, আপনার ব্লু-টুথ কিবোর্ডটির পাওয়ার অন করুন। সাধারণত: এ অবস্থায় ট্যাবের ব্লু-টুথ কানেকশন আশেপাশে থাকা কিবোর্ডকে চিনতে পারে এবং ট্যাবের সাথে অটোমেটিক্যালি “পেয়ার” (Pair) হয়ে যায়। যদি আপনার ব্লু-টুথ কিবোর্ডটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে “পেয়ার” না হয়, তবে কিবোর্ডের ম্যানুয়ালটি একবার পড়ে দেখুন। সেখানে “পেয়ার” করার যাবতীয় নির্দেশনা পেয়ে যাবেন।

Turn on bluetooth from Android settings
সেটিং থেকে Bluetooth অন করুন

ব্লু-টুথ স্ক্রিনে থাকা অবস্থায়, অ্যান্ড্রয়েড আপনার কিবোর্ডকে খুঁজতে থাকবে এবং এক সময় পেয়েও যাবে। যদি প্রথম বারে না পায়, তবে কিবোর্ডের পাওয়ার অন-অফ করে, ডিভাইসের ব্লু-টুথ সেকশন থেকে “Search for Devices” এ ট্যাপ করুন। এ অবস্থায় কিবোর্ডটি খুঁজে না পেলে, খেয়াল করে দেখুন কিবোর্ডের পাওয়ার সত্যি অন হয়েছে কি না (এমনও হতে পারে, কিবোর্ডের চার্জ শেষ হয়ে গেছে), অথবা কিবোর্ডটি অন্য কোন ডিভাইসের সাথে কানেক্ট হয়ে আছে কি না।

যদি অন্য কোন ডিভাইসের সাথে কানেক্ট হয়ে থাকে তবে, ঐ ডিভাইস থেকে আন-পেয়ার করে আবার আপনার ডিভাইসের সাথে পেয়ার করার চেষ্টা করুন।

Pair your bluetooth keyboard with your android device
Bluetooth keyboard কে ডিভাইসের সাথে পেয়ার (pair) করুন

যদি আপনার কিবোর্ডটি খুঁজে পায়, তবে তা “Available Devices” এর তালিকায় চলে আসবে। তালিকা থেকে আপনার কিবোর্ডটি ট্যাপ করে সিলেক্ট করলে পেয়ার করার আগে একটি কনফার্মেশন কোড চাইবে। কোডটি টাইপ করুন।

কোড মিলে গেলে আপনার কিবোর্ডটির নামের নীচে “Connected” লেখাটি চলে আসবে। আপনার ব্লু-টুথ কিবোর্ডটি কাজ করার জন্য সম্পূর্ণভাবে প্রস্তুত।

কিবোর্ড ব্যবহারের নিয়ম

কিবোর্ড দিয়ে টাইপ করে। এটা আবার জানানো কি আছে? কিবোর্ড দিয়ে ইমেইল, ব্লগ পোস্ট, বা লম্বা-চওড়া লেখালেখির যা কিছু আছে, সবই করা যায়। কিন্তু, কিবোর্ড দিয়ে টাইপ ছাড়াও আরও কিছু অতিরিক্ত কাজ করা যায়। ইউন্ডোজ এবং ম্যাক ব্যবহারকারীগণ সবাই জানেন, কাজের সুবিধার জন্য অনেক কিবোর্ড শর্টকাট গিজ গিজ করছে। অ্যান্ড্রয়েডে তো কিবোর্ডই নাই। আমরা এখন একটা কিবোর্ড লাগালাম। কিন্তু, ভোজবাজির মত অ্যান্ড্রয়েডে কিবোর্ড শর্টকাট আসবে কোথা থেকে?

অ্যান্ড্রয়েড সিস্টেমেও কিবোর্ড শর্টকাট আছে, তবে খুব বেশি না। এতে কিছু বহুল প্রচলিত কি-কম্বিনেশন ব্যবহার হয়ে আসছে। কিন্তু, এগুলো কোন কিছু ডকুমেন্টেড বা পরিষ্কার করে কিছু বলা নাই। তাই, এগুলো নিয়ে কেউ কিছু জোর দিয়ে বলেনও না।

আমাদের সবার এ কথা মনে রাখা খুবই দরকার যে, অ্যান্ড্রয়েড শুধুমাত্র টাচ-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম। এরপরও ফিজিক্যাল কিবোর্ড ব্যবহারের কিছু সুযোগ এতে রয়েছে। এই কিবোর্ড দিয়ে কাজ করার সময় একটা নির্দিষ্ট সময় পর পর ডিভাইসের স্ক্রীন লক হয়ে যাবে। তাই মাঝে মাঝে স্ক্রীনে একবার করে টাচ করে স্ক্রীনকে জীবিত রাখতে হবে। যদি ব্লু-টুথ মাউস সংযুক্ত থাকে, তাহলে মাউস নাড়ালেও হবে।

কিবোর্ড ব্যবহার করা অবস্থায় ডিভাইস লক হয়ে গেলে, কিবোর্ড থেকে যে কোন কি চাপ দিলে ডিভাইস আবার চালু হবে। পাওয়ার বাটন চাপ না দিলেও হবে।

আপনার ডিভাইসটি পাসওয়ার্ড বা পিন দিয়ে লক করা থাকলে, সরাসরি কিবোর্ড দিয়ে পাসওয়ার্ড বা পিন টাইপ করা যাবে।

কিন্তু, ডিভাইসে স্লাইড বা প্যাটার্ন দিয়ে লক কিরা থাকলে, তখন আবার টাচের মাধ্যমে আনলক করতে হবে।

এছাড়াও, উইজেট, অ্যাপের কন্ট্রোল এবং ডিভাইসের অন্য ফিচারগুলোর জন্য ট্যাপ ব্যবহার করতে হবে।

আশা করি, একটা আইডিয়া দিতে পেরেছি।

কিবোর্ড শর্টকাট এবং নেভিগেশন

আমরা আগেই জেনেছি যে, অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের প্রতিটি কাজের জন্য একটা করে শর্টকাট তৈরী করা নাই; আবার একেবারেই যে নাই, তাও নাই। শর্টকাট খুঁজে পেতে গুগলের সাহায্য নিতে পারেন। আমরা দেখেছি, গুগলের হোম স্ক্রীনে থাকা অবস্থায় কোন কিছু খঁজবার জন্য সার্চ করা শুরু করলে, গুগল তার নিজস্ব অ্যালগরিদম দ্বারা আমাদের জন্য সম্ভাব্য সার্চ সাজেশন দেখায়।

Google search suggestions
Google search suggestions

শুরু করার জন্য নীচে এমন কিছু কিবোর্ড শর্টকাট পাঠকদের জন্য দেয়া হল:

EscGo Back
Ctrl+EscMenu
Alt+SpaceSearch Page
(say “OK Google” to voice search)
Alt+Tab and Alt+Shift+TabSwitch Tasks

এ ছাড়াও, ক্যালকুলেটর, জিমেইল এবং অন্যান্য কিছু অ্যাপ চালু করার (launch) করার জন্য অ্যান্ড্রয়েডের আগে থেকে দেয়া (pre-configured) কিছু কিবোর্ড শর্টকাট আছে।

Windows+C
Contacts
Windows+G
Gmail
Windows+L
Calendar
Windows+P
Play Music
Windows+Y
YouTube

শর্টকাটের কোন অফিশিয়াল লিস্ট নাই; আবার গুগলের সব এ্যাপের জন্য আলাদা আলাদা শর্টকাট সেট করা নাই।

কিবোর্ড শর্টকাটের পূর্ণ তালিকা থাকলেও, এর থেকে শতভাগ সুবিধা গ্রহন করা ব্যবহারকারীর উপরে নির্ভর করে। তবে, মোবাইল ডিভাইসে গুগল কিপ (Keep) ব্যবহার করে আপনি অফিসে বা রেস্টুরেন্টে বসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা নোট লেখার কাজ করতে পারবেন; ইন্টারনেট ব্যবহার করে এই নোট আপনি আপনার গুগল অ্যাকাউন্টে সেভ করে রাখতে পারবেন। পরে, বাসাতে এসে পিসি থেকে সেই নোটে আরও কাজ করতে পারবেন।

কিবোর্ডের “অ্যারো কি” (arrow key) ব্যবহার করে হোম স্ক্রীনের অ্যাপ আইকনগুলো নেভিগেট এবং অ্যাপ ড্র‍য়ার খুলতে পারবেন। অ্যাপ আইকন নেভিগেট করার যে আইকন সিলেক্ট অবস্থায় থাকবে, কিবোর্ড থেকে Enter কি চাপ দিয়ে সেই অ্যাপটি লঞ্চ করা যাবে।

navigate icons with bluetooth keyboard
ব্লু-টুথ কিবোর্ড দিয়ে অ্যান্ড্রয়েডের হোম স্ক্রীনের আইকনগুলো নেভিগেট করা যায়

এ ছাড়াও, কোন অ্যাপের যদি নিজস্ব শর্টকাট থাকে – যেমন: জিমেইল (Gmail), বা, ক্রোম (Chrome), তবে, এদের কিছু কিছু – সবগুলো নয় কিন্তু (যেমন: YouTube), অ্যান্ড্রয়েডে কাজ করবে।

ইউনিভার্সাল কিবোর্ড শর্টকাট যেমন: Copy (Ctrl+C), Cut (Ctrl+X), Paste (Ctrl+V), এবং Select All (Ctrl+A) – অনেকগুলো অ্যাপেই কাজ করে।

কাস্টম কিবোর্ড শর্টকাট তৈরী

অ্যান্ড্রয়েডের জিঞ্জারব্রেড (Gingerbread) ভার্সনে কাস্টম শর্টকাট তৈরীর ফিচার ছিল, যা বর্তমান ভার্সনের সাথে নেই। থার্ড পার্টি অ্যাপ ব্যবহার করে কিবোর্ড শর্টকাট তৈরী করে নেয়া যায়।

এমন একটি  অ্যাপ হল, External Keyboard Helper (EKH)। এর একটি ফ্রি ভার্সন রয়েছে। পূর্ণ সুবিধা পেতে ফুল ভার্সন ব্যবহার করতে পারেন (২ ডলার দাম)।

EKH ব্যবহার করে শর্টকাট তৈরী করতে অ্যাপটি চালু করুন। সোজা Advanced Settings অংশে চলে আসুন।

External keyboard helper settings
External keyboard helper settings

এখান থেকে Keyboard Mapping এ ট্যাপ করে, তারপর Application Shortcuts এ আসুন।

EKH Keyboard Mapping
EKH Keyboard Mapping

এই অ্যাপে ১৬টি অ্যাপের জন্য শর্টকাট তৈরী করা যায়। আসুন, আমরা আগে Facebook এর জন্য শর্টকাট তৈরী করি। প্রথমে, A0 সিলেক্ট করি; এরপরে যে তালিকা আসবে, সেখান থেকে Facebook সিলেক্ট করি।

অ্যাপ, সার্ভিস বা সেটিং – যে কোন কিছুর জন্য নিজেদের সুবিধামত শর্টকাট তৈরী করা যায়।

দেখতে পারছেন, আমাদের প্রথম শর্টকাট তৈরী করেছি যা অ্যাপ্লিকেশিন-জিরো, A0 (Application-Zero) স্লটের সাথে সম্পর্কিত।

EKH application Shortcuts
EKH application Shortcuts

এখন, আমাদের Advanced Settings পেজে ফিরে যেতে হবে। এবার, “Customize Keyboard Mappings” ট্যাপ করি। ঢুকতেই কাস্টম কিবোর্ড লে-আউট তৈরীর জন্য জিজ্ঞাসা করবে। “Custom 1” সিলেক্ট করি।

Create new custom layout
নতুন কাস্টম লে-আউট ম্যাপিং তৈরী

কাস্টম কিবোর্ড লেআউট তৈরীর অপশন সিলেক্ট করার পরে কিবোর্ড দিয়ে অনেক কিছুই করা যেতে পারে। উদাহরণ হিসাবে বলা যায়, কিবোর্ডের ফাংশন কি এর সাথে ট্যাবলেটের ব্রাইটনেস বা ওয়াই-ফাই টগল করা, বা, এমন আরও কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় অংশকে ফাংশন কি এর সাথে ম্যাপ করে নেয়া যাবে।

মনে রাখা দরকার যে, নির্দিষ্ট কিছু “কি” আছে, যেগুলো ম্যাপ করা যায় না। ম্যাপ করার চেষ্টা করলেও এ্যাপ থেকে আবার ডিফল্ট ম্যাপে ফেরত নিয়ে যায়। কারণ, ভুল করে “Copy” বা “Paste” ফাংশনকে ভুল করে ম্যাপ করার হাত থেকে রক্ষা করতে এই সংশোধনমূলক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

কিবোর্ডে আপনার নতুন ফাংশন যুক্ত করার প্রয়োজন পড়লে, EKH অ্যাপ ওপেন করে কাংখিত শর্টকাট মুছে ফেলে নতুন করে কাস্টম লে-আউট তৈরী করে নিন।

নতুন কি-কম্বো তৈরী করতে, “Add new key mapping” সিলেক্ট করুন।

Customize keyboard mapping: Add new
Customize keyboard mapping: Add new

কিছু প্র‍্যাকটিকাল কাজ করে দেখা যাক। ধরুন, এবার Facebook অ্যাপকে Alt+F কি-কম্বোর সাথে ম্যাপ করি। নতুন কি-কম্বো তৈরী করতে, “Scancode” ফিল্ডের উপরে ট্যাপ করি। এবার, কিবোর্ড থেকে “F” চাপ দিই। Scancode এর পাশে 33 দেখা যাবে, কারণ F কি এর মান 33। শর্টকাট কি আবার পরিবর্তন করতে চাই, “Change” বাটনে চাপ দিয়ে পরিবর্তন করা যাবে।

এবার, “A0” এ্যাপ্লিকেশনের সাথে কিবোর্ডের Alt key কে অ্যাসাইন করি। মনে আছে তো, এর আগে A0 এর সাথে ফেসবুককে ম্যাপ করা আছে। “AltGr” ফিল্ডের ঘরে টাইপ করি, “A0″। আমাদের কি কম্বোটি সংরক্ষন করতে Save বাটনে চাপ দিই।

Customize single key mapping
কি ম্যাপিং কাস্টমাইজ করা

এই স্ক্রীন থেকে বের হওয়ার পর এই নতুন কাস্টম লেআউটটি যতক্ষণ পর্যন্ত ব্যবহার করবেন, ততক্ষণ Alt+F চাপ দিয়ে Facebook অ্যাপ লঞ্চ করা যাবে। সহজ না!

Add new key mapping
Add new key mapping

সুতরাং দেখা যাচ্ছে, External Keyboard Helper অ্যাপটি একটি কাজের জিনিষ। এটি ব্যবহার করে সিম্পল অ্যাপ্লিকেশন শর্টকাটের বাইরে অনেক বেশি কাজ করিয়ে নেয়া যায়।


ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেমের সাথে অ্যান্ড্রয়েডের অনেক অমিল আছে। ফিজিক্যাল কিবোর্ড বা মাউস ছাড়াই অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেম দিব্যি ব্যবহার করছে কোটি কোটি ব্যবহারকারী। এভাবেই এটি তৈরী।

আপনি একটি স্যামসাং গ্যালাক্সি ট্যাব (Samsung Galaxy Tab), বা অ্যাপল আইপ্যাড (Apple iPad), বা, গুগল পিক্সেল সি (Google Pixel C) কিনে এর জন্য অন্য কোন ধরনের এক্সটা পেরিফেরাল না কিনেও দিনের পর দিন সাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করতে পারবেন।

তাত্ত্বিকভাবে বলতে গেছে, ট্যাবের টাচ ইন্টারফেস ব্যবহার করে আপনি ইমেইল, রচনা, বই, বা বড় ধরণের যে কোন ডকুমেন্ট লিখে ফেলতে পারবেন। কিন্তু, তা হবে অত্যন্ত কষ্টকর ও অযাচিত সময়সাপেক্ষ একটা কাজ। যদি অল্প কিছু টাকা দিয়ে ট্যাবের সাথে একটি ব্লু-টুথ কিবোর্ড ব্যবহার করে এই কষ্টকর কাজকে সহজ করে নিতে পারেন; তবে কেন তা ব্যবহার করব না?

এছাড়াও, আমরা দেখলাম, কোন ধরনের ঝামেলা ছাড়াই ব্লু-টুথ কিবোর্ড সহজেই অ্যন্ড্রয়েডের সাথে যুক্ত করে কাজ শুরু করা যায়। এখানে দেখানো এক্সট্রা কাস্টমাইজেশন ছাড়াই প্লাগ-এন্ড-প্লে’র মাধ্যমে একটি কাজ করে।

ট্যাবের এডিটরে বড় আকারের টেক্সট কম্পোজে বা টারমিনাল টাইপের অ্যাপে আমি ব্যক্তিগতভাবে পরামর্শ দিব, একটি ফিজিক্যাল কিবোর্ড ব্যবহার করুন। কারণ, এতে আপনার কাজের গতি বাড়বে; নিজেকে প্রো-অ্যাকটিভভাবে সবার সামনে উপস্থাপন করুন।


পড়ার মত আরও আছে

ক্যাটাগরিঃ টিপস ও ট্রিক্স

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.